প্রথম পাতা » কবিতা » পদ্যের বারান্দায়

পদ্যের বারান্দায়

১/
ছুঁটতে থাকা সময় নির্বাক
বৈবাহিক বাতাসে চিরসখা মেঘের ঘ্রাণ।
আমার শরীর থেকে আমি সংগ্রহ করি তোমায়
ওগো, আনন্দদেহ; তোমার প্রখর উজ্জ্বলতা…

২/
পাঁচ পাপড়ির ফুলই, এক টুকরো আলোর চুম্বন দাও।
ধীরভাবে এসো; টলটল করা এক পরিত্যক্ত ঠোটে

৩/
পথই খুঁজে বেড়ায় অন্তিম পথ
নির্লিপ্ত গায়ে বাতাসের অন্তর্ধান
তোমাকে ছড়িয়ে দিয়েছি আর খুঁজবো না..

৪/
টেলিফোন বাজছে
অভিমানের আড়াল থেকে জেগে উঠুক কণ্ঠস্বর
আমি তো দুঃখ কে হৃদয় দিয়ে মাড়াই
তাই আঘাতে দাগ এ বেলায়ও বাড়ুক সকাল সন্ধ্যার মত

৫/
হাতের মুঠোয় দলিত ঘাসেরা
অন্তর ছেয়ে আছে নৈকট্যের ঘ্রাণে
দেখি তারা তাকিয়ে আছে
বিরাগ বিভোর দূরপানের দৃষ্টিতে

৬/
এইখানে মানুষ রচনা করে কারাগার
বৃত্ত ভরাট কালে ভুল কালির দাগ লাগিয়ে
শরীর নিয়ে ডুবে যেতে চায় শরীরে মনের আকারে
ভাবে মুক্তি মেলবে
আদতে জড়িয়ে পরে বিচ্ছেদে

৭/
আক্রান্ত দৃষ্টিতে তাকাই
তুমি নিঃশ্বাস নাও স্বস্তিতে
ভাবো অসহায় আছে, অসহায় আছে এখনো….

৮/
মেঘেরা চঞ্চল হয়ে উঠেছে
ঘন ফোটায় বৃষ্টি বা
শীতল জল নুপূর পায়ে নাচবে।
কোথায়?
গাছের পাতায়, মাটির গায়ে
তোমার মনে আমার টানে।

৯/
কথারা বাস করে অবিরত ভিতরে ভিতরে
গোপন ঘরে নীরব নিঃস্পন্দন
“হুম”
নীল সাদা দুনিয়ায় মানুষে
লাল আভা মোহিত স্মিত হাসি
অজস্র সম্পর্কের যোগাযোগহীনতার দাড়ি

১০/
ঘোর লাগা নিজেকে বোতাম ঘরে বসিয়ে দেই
তোমাকে আড়াল করব পৃথিবী থেকে।

১১/
একে একে সবাই তোমরা যার যার কাজে ব্যস্ত হয়ে গেলে
আমিই কেবল একা শিশুগাছটার মত ভিজছি।

কবিতা থেকে আরও পড়ুন

লেখক পরিচিতি:

রোকেয়া হক কনা
নিজের সম্পর্কে বলা বড্ড কঠিন, আমি প্রতিনিয়ত বদলে বদলে যাচ্ছি...

ইতল বিতলে আপনার লেখা আছে?আজই লিখুন



আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *