প্রথম পাতা > এস এম মুকুল (Page 4)
Valo Chorai Alo Chorai

সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষায় পাশে দাঁড়াতে পারি আমরাও

রাস্তায়, ফুটপাতে কত শিশুর দিনকাটে। অফিস আর কলকারখানায় কিংবা বাসা—বাড়িতে নিয়োজিত আছে হাজারো শিশু। পরিবারের অভাবের কারণে, পেটের দায়ে অনেক শিশু অপরিণত বয়সে বাধ্য হয়ে কাজ করছি। অথচ এই শৈশবের সময়টা তার পড়াশুনা আর খেলাধুলা করে কাটাবার কথা। আমাদের অধীনেই, আমাদের করণীয় কাজগুরেঅ করে দিচ্ছে ওরা। বিনিময়ে খাওয়া, থাকা, পোশাক

পুরোটা পড়ুন
Palm tree

পরিবেশবন্ধু বজ্ররোধক তালগাছ লাগাই

‘তালগাছটি আমার’- কথায় কিংবা তর্কে জিত নেয়ার ক্ষেত্রে এটি খুব প্রচলিত প্রবাদ। এই প্রবাদেও মানে হলো- জোর করে জিত নেয়া কিংবা তালগাছের ন্যায় নিজ যুক্তিতে অনঢ় থাকা। ‘তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে/সব গাছ ছাড়িয়ে/উঁকি মারে আকাশে’.. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তালগাছ কবিতায় এমন পংক্তিমালা যেন তালগাছের গুরুত্বকে অনেক বাড়িয়ে দিরেয়ছে। গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য রক্ষা

পুরোটা পড়ুন
success

দাদুর গল্প: জীবনের জন্য বন্ধুত্ব

আদ্রিক আর হৃদ্যতা দুই ভাইবোনের শখ- গল্প শোনা। যখন যাকে কাছে পায় তার কাছেই গল্প শুনতে চায়। একবার হলো কি, তারা দাদুর বাড়ি গেল। তারা দাদা কে দাদু ভাই আর দাদু কে দিদিমা বলতো। তো তারা দাদুর কাছে গল্প শোনার বায়না ধরলো। দাদু ভাই শাহ্ আজিজ স্যারও অবসরে তখন। তিনিও

পুরোটা পড়ুন
Banyan Tree Sketch

পান্তা বুড়ি ও পরান-পাখি

পান্তা বুড়ি পান্তা মাগে- ছন্দ কাটে ছড়ায় ছড়ায়এবাড়ি যায়, ও বাড়ি যায়- ছন্দে ছন্দে গল্প শোনায়বিরিক্ষ (বৃক্ষ) লাগাও- বিরিক্ষ (বৃক্ষ) লাগাওসবুজ বাঁচাও- বাঁচতে হলে।বুড়ির দুটো নাতি আছে- একটা পরান, একটা পাখিসুযোগ পেলেই ওরাও বলে-ও দাদুমা, ও দাদুমা : কেন জপো এসব তুমি, বুঝাও মাথা মন্ডু,বিরিক্ষ (বৃক্ষ) লাগাও- সবুজ বাঁচাও- এমন

পুরোটা পড়ুন
housekeeper

মহান মে দিবস – ঘর থেকে শুরু হোক শ্রমের মর্যাদা

এই পৃথিবীর সবকিছুই শ্রমের বিনিময়ে পেতে হয়। শ্রম সাধারণত দু-প্রকার ১. কায়িক বা শারিরীক শ্রম ২. মানসিক বা বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রম। এই দুই প্রকার শ্রমকে কেন্দ্র করেই চলছে পৃথিবী নামক শ্রমের চাকা। এরপর পেশাভিক্তিক শ্রম বহুদাবিভক্ত হয়ে জন্ম দিয়েছে নানান নামের নানা শ্রেনীর মানুষ। সে হিসেবে মানুষ মাত্রই শ্রমিক। রাজা-প্রজা যে

পুরোটা পড়ুন
Charlie Chaplin

বিশ্বখ্যাত ভবঘুরে চার্লি চ্যাপলিন

চ্যাপলিন তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন, শেষ জীবন পর্যন্ত তিনি তাঁর শৈশবকেই বয়ে বেরিয়েছেন, যে শৈশব ছিল দুঃসহ। বাবা তাঁর মাকে ত্যাগ করেছিলেন। মা কখনো সস্তা নাটকের দলে গান গেয়ে, কখনো সেলাই করে চালিয়েছেন সংসার। তাঁরা না খেয়ে থেকেছেন বহু দিন। কখনো ভিক্ষা করে, কখনো চুরি করে জোগাড় করতে হয়েছে খাবার। শৈশবের

পুরোটা পড়ুন