লোকজ প্রবাদ আছে : যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ! কেমন আছে বাংলাদেশ? বুকে হাত দিয়ে কতোজন মানুষ বলতে পারবে যে ন্যূনতম সুযোগ থাকলে তারা দেশ ত্যাগ করবে না?বাংলাদেশে একটি শিশু জন্ম নেয় অনিশ্চিত ভবিষ্যত, অনিরাপদ পরিবেশ, উচ্ছৃংখল জনজীবনকে সামনে নিয়ে। তার পদে পদে অবহেলা। পরিবার, সমাজ এমনকি রাষ্ট্র পর্যন্ত
পুরোটা পড়ুনসুজন হামিদ এর ব্লগ
মানুষের মতো নিঃসঙ্গ প্রাণি পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।
আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আমি মোট পোস্ট করেছি: 142 টি
লিখছি June 2020 থেকে
এই মেয়েটির নাম ইরা। তার বয়স সাত বছর। হ্যাঁ, ওহে ধ্বজভঙ্গ বাঙালি, এর বয়স সত্যই সাত। হারবাল বালছাল খাওয়া বাঙালি কয়েকজন পুরুষ তাদের ক্ষুধা নিবারণের জন্য এই মেয়েটিকে সীতাকুণ্ডের পার্কে ঘুরতে নিয়ে যায়। তারা একে ধর্ষণ করে। মেয়েটি যেন ধর্ষকদের কথা কাউকে না বলতে পারে তাই তার শ্বাসনালী কেটে মৃত
পুরোটা পড়ুন'আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেলো শেষেহেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে…এলিয়ে খোঁপা রাত্রি এলেন ফের বাড়ালাম পাআমার মায়ের গয়না ছাড়া ঘরে ফিরবো না।'আমাদের ছেলেবেলায় এ কবিতাটি পাঠ্য ছিল। সম্ভবত সপ্তম শ্রেণিতে। কবিতাটি আমার মনে ব্যাপক দাগ কেটেছিল। এখনো এ কবিতা শুনলে নব্বই দশকের শ্রেণিকক্ষে ফিরে যাই। মনে পড়ে :
পুরোটা পড়ুনমগডালে, শিরীষের ডাল বেয়ে ঝুলছিল মৃত্যু!গাছটা আদৌ শিরীষ কি না? নাকি অশ্বত্থ?এই নিয়ে শহরে চলছে মাতম! গাছটার নাম কী?পঞ্চমীর চাঁদ ডুবে গেলে কি সে মরেছিল?এই মৃত্যু কি তার সাধের বাসনা? জীবনানন্দের মতো?আচ্ছা, কবিতাটা কার লেখা : যখন গিয়াছে ডুবিয়াপঞ্চমীর চাঁদ…???এরপর পুরো শহর জুড়ে সরগোল…কবিতাটা কার?বেলা ফুরিয়ে গেলে কি লোকটা উঠেছিল
পুরোটা পড়ুনশিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডার এগিয়ে যাও, দুর্বৃত্তের ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়াও
আঠারো কোটি বাঙালির মধ্যে কমপক্ষে পনেরো কোটি মানুষের এখনো শেষ আশ্রয় বাংলাদেশ নামের ভূখণ্ড। এর জল-স্থল-অন্তরীক্ষ, আলো-বাতাস-সূর্য আমাদের বেঁচে থাকার ঠিকানা, শেষ ভরসা। আমাদের সন্তানেরা এদেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজে পাঠগ্রহণ করে মানুষ হওয়ার দীক্ষা নেয়। এদেশের সত্তর হাজার গ্রামের মানুষ অসুস্থ হলে ছুটে যায় উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। আরো জটিল সমস্যা
পুরোটা পড়ুনদাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারো দানে পাওয়া নয়
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের দুইদিন পর ১৮ই ডিসেম্বর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে অজস্র লাশের ভিড়ে পাওয়া গিয়েছিলো একটি লাশ।.লাশটির দুই চোখ উপড়ানো। সমগ্র শরীরে জুড়ে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আঘাতের চিহ্ন। দু হাত পিছনে গামছা দিয়ে বাঁধা। লুঙ্গিটা উরুর উপরে আটকানো। হৃদপিন্ড আর কলিজাটা ছিঁড়ে ফেলেছে হানাদার ও নিকৃষ্ট আলবদরেরা।.লাশটি ছিলো ছবির এই ভদ্রলোকের।
পুরোটা পড়ুনহৃদয়ের একূল থেকে ওকূলের দূরত্ব কতো?হাজার মাইলের চেয়েও বেশি?একূলের গর্জে ওঠা ঘূর্ণি কেন ওকূলে পৌঁছে না?ওকূলের শোক কেন একূলে শক্তি হয়ে জাগে না?হৃদয়, তুমি কি কবি হবা?একটু সত্যের জোরে দু চারটি পঙক্তি আছড়ে পড়তো দুকূল বেয়ে! উপচে উঠতো শব্দতরঙ্গ, প্রচণ্ড দ্রোহ কিংবা ঘৃণা।হৃদয়, তুমি কি এনাটমির কন্ট্রাক্টর হবা?একটা মেরুদণ্ডের বড়ো
পুরোটা পড়ুনবিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরই সমুদ্র দেখার প্রথম সৌভাগ্য হয় আমার। আমি প্রথম যেদিন সমুদ্র দেখি সেই বিস্ময়কর স্মৃতি আজ আর মনে করে বর্ণনা করতে পারবো না। আমি স্তব্ধ হয়ে কেবল তাকিয়ে ছিলাম 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসের কুবেরের মতো এক অস্ফুট আর্তনাদ মুখবিবর গড়িয়ে পড়েছিল : 'এই তাহলে সমুদ্দুর!' এতো বিস্ময় বিধাতা সমুদ্রে
পুরোটা পড়ুনএকটা সাদা কাফন নয়তো কাঠের কফিনের জন্য কতোই না আয়োজন সবার!
আমরা কিসের বড়াই করি??শুনুন তবে-২২ নভেম্বর।১৯৬৩ সাল।সকাল আটটা।প্রেসিডেন্ট কেনেডি হোটেল টেক্সাসে নাস্তা করলেন।তারপর রওনা দিলেন এয়ারপোর্টে।গাড়িতে এক ঘন্টার পথ ডালাস।কিন্তু ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকার প্রেসিডেন্ট গাড়িতে চড়বেন, তা হয় না।মাত্র ১৫ মিনিটে তিনি এয়ারফোর্স ওয়ানে চড়ে ডালাস নামলেন সকাল ন'টায়।রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ।শত শত সিকিউরিটি।বিশাল গাড়ির বহর।প্রেসিডেন্ট যাচ্ছেন, দুনিয়ার সবচে'
পুরোটা পড়ুনবাংলা ভাষা ও সাহিত্যের যথার্থ শিল্পী ঋষি বিদ্যাসাগরের জন্ম অখণ্ড ভারতে। বাংলাদেশি বাঙালিরা তাঁকে এখন মেনে নেবে কি না বর্তমান বাংলাদেশে একটি বিরাট প্রশ্ন। তবে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেন নি বলে নিরাপদে আছেন বলেই মনে হয়! আজ তাঁর ২০৪ তম জন্মদিন গেলো। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আকাল কালে
পুরোটা পড়ুন