নিন্দুকেরে বাসি ভালো, হিংসুকেরে নয়,হিংসুকেরে ঘৃণা নয়, করি তাদের ভয়।হিংসুকের দীর্ঘশ্বাস হিংসেতে তৈরি,কথায় কথায় হবে পরস্পরের বৈরী।হিংসার তীব্র অনলে জ্বলে কত জন,ভেতর পুড়ে আঙ্গার কত সরল মন।নিন্দুকের কথায় যদি দেয় মনোযোগ,পশু থেকে মানুষ হবে কত খারাপ লোক।হিংসুক না নিন্দুক, ধরতে যদি পারো,জীবন গড়া সোজা হবে নিন্দুকেরে ধরো।নিন্দুকেরা ভুল পথ শুধরে
পুরোটা পড়ুনকবিতা
মধুসখা, তুমি এমন কেন?আস হর্ষ দিবসে,ডাক মিষ্টি স্বরেগমন করো বিকাশের সমাপ্তিতে।কি দেও তুমিমানবের কল্যাণে?শুধুই সুর, নাকি আরও কিছুকেন এতো নাম তোমার জনে জনে?পরভৃৎ কি এতোই খারাপ?নেহাৎ সে কালো, কিন্তু সেই তো ভাল,যুগে যুগে সে করিছে কল্যাণমানব ভুলিয়াছে কি তার অবদান?সুসময়ে অনেক বন্ধু জোটেঅসময়ে পাশে থাকে কয়জন?তাই কোকিল নয়কাক আমার আপন
পুরোটা পড়ুনব্যক্তিগত বিজ্ঞাপন: প্রেমিকা চাই
অর্পিতা, বিজ্ঞাপনে ছেয়ে গেছে তোমাদের শহরগলির মোড়, কারখানার বারান্দা, বৃক্ষের শাখা, পত্র-পল্লব,আইল্যান্ড, রাস্তার দুইধার, বেশ্যালয়ের জীর্ণ বেড়া,সরকারি অফিস, বাসের জানালা, ফেরির বাথরুম,স্কুলের পলেস্তরা খসা দেয়ালে আঁকা নজরুল-রবীন্দ্রনাথএবং জানালায় দাড়ানো গৃহিনীর উজ্জ্বল মুখায়ব;সবকিছু কেড়ে নিয়েছে অমুক-তমুকের রঙিন বিলবোর্ড।সুশ্রী নারীর রমণীয় ঠোঁটে লালরঙা উচ্ছ্বল হাসির সাথেফ্রিজ-টিভি, মোটর, চিপস-চানাচুর ব্যাংক-বীমা, হাবিজাবি,ইমারজেন্সি কন্ট্রাসেভটিভ পিল,
পুরোটা পড়ুনকালো মেঘে ছেয়ে গেলেআসে বাতাস বৃষ্টিহৃদয় মাঝে মেঘ করিলেনিরব কান্নার সৃষ্টি।হঠাৎ বিজলির ঝলকানিতেবজ্রপাতের শব্দমনের মাঝে আঘাত পেলেদাগ থেকে যায় অব্দ।মেঘের কান্নায় বর্ষা হাসেকোলা ব্যঙ্গের ফুর্তিশত্রুর দুঃখে শত্রু খুশিভুক্তভোগী মুর্তি।বর্ষাকালে বন্যা হলেনদীর ভরাডুবিকূলকিনারা ভেঙ্গে গিয়েভাসিয়ে নেয় সবি।এই ঘটনায় মেঘ হারায় তারজলে ভরা কলসিনদীর বুকে ভেসে চলেনদীর দুকূল ভাসি।
পুরোটা পড়ুনযে ফুলে বসেনি কোনদিন সাতরঙা প্রজাপতি,মধুলেহী, মধুব্রত, মধুভৃৎ লুটেরা মধুমক্ষিকা; কীট-পতঙ্গ।লাগেনি উদাস বৈরাগীবাতাসের স্পর্শ-শিহরণ কিংবারাতের নিয়রের শরীরঘষা ভালোবাসা, আদরে চুয়েপরা প্রেম।সে ফুল দেখেনি পরিপক্বতার মুখ, ফসল ফলানোর দিন; কোনদিন।যে নদীতে চলেনি পালতোলা নৌকা, যৌবনের অপূর্ব দ্যুতি, গতিময় জীবন।খেলেনি দুরন্ত বালিকা ডুবসাঁতারে জলগোল্লা, গাঙবউচিভরা বর্ষায় ছোটা প্রমত্তক মেঘনার মতো ফেঁপে ওঠাযৌবনে
পুরোটা পড়ুনহঠাৎ করে পড়লাম ঝড়েধূলোয় মাখল গা,দৌড়ের উপর হোটচ খেয়েমচকে গেলো পা।নাকমুখ থুবড়ে ধপাস করেপড়লাম বা পাশে,আমায় দেখে হারুর বেটিহি হি হি হাসে।লুঙ্গিখানা ছিঁড়ে গেছেউু শব্দ মুখে,দোহাই লাগে হারুর বেটিবলিস না কাউকে।ব্যাথার চেয়ে পেলাম শরমমুখ দেখানো ভারগোটাপাড়া খবর পেলছাড় দিল না আর।একে একে সবাই মিলেদিল উপদেশহাঁটবি রাস্তা দেখে শুনেনইলে হবি শেষ।
পুরোটা পড়ুনচতুর্দিকে চাও, লোচনে পড়িবে কারবার-কিছু লাগিবে অভদ্র কিছু চমৎকার।মনুজ আজ্ঞাবহ জঠরজ্বালা অবসানে,যাহা পায় তাহা করে, পায় না চয়নে।প্রথমত উদরপূর্তি দ্বিতীয়ত মন মাস্তিদৃষ্টিপাতে অহর্নিশ কথিত জনের নিয়তি।যথার্থে হইত যদি; যাহা বাসনা তাহা বৃত্তিনন্দনকানন হইত আমাদের বসতি।কার্যে তথাস্তু, সময়ান্তরে কর্ম হইবে ক্রীড়া।সখ্যতা হইবে জনে জনে, সুখে ভরিবে হিয়া।
পুরোটা পড়ুনঋতুর রঙ্গশালায় শরৎ গ্রীষ্মের তলপিএমনি তার বাহারহালকা কুয়াশায় বিন্দু বিন্দু জমা শিশিরশারদ প্রভাতের প্রথম সলজ্জ উপহার।আকাশে গাঢ় নীলিমার অবারিত বিস্তারনির্ঝরণীর পাড়ে কাশফুলের সমাহারক্ষান্ত বর্ষণ সুনীল আকাশের জলহারা লঘুভার মেঘপুঞ্জশরতের তুলনা নাই নয়নাভিরাম সৌন্দয্য।স্নিগ্ধতা আর কোমলতার অপূর্ব রূপ শরতের রাতমাটির শ্যামলিমায় জোস্না শোভিত রাত্রির চাঁদ।শরতের শিশির ধোওয়া কুন্তলপ্রভাতের হৃদয় হয় চপল।
পুরোটা পড়ুনতোমার শিহরণ গাঙ ফরিঙের গোত্তা খাওয়ার মতোনতোমার কম্পন আচমকা উড়ন্ত পাখির ফেলে যাওয়া ডালেসুপ্তিভাঙা সবুজ পাতার মতোন ভীত সন্ত্রস্ত। প্রেমময় স্পর্শে।তোমাকে ছুঁয়েছি ভালোবাসায়; সাক্ষী এই হাত।তোমার ঠোঁটের লবণাক্ততার স্বাদ, নোনতা ঘাম,ওষ্ঠপুটের নরোম লোমে পালকের পেলবতা,চুম্বনে তোমার আগ্রাসন বাহাত্তর হাজার নদীতেমাতাল জোয়ার তোলার সক্ষমতা।নতুন পৃথিবী আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষায় আমাকে বানিয়েছে কলম্বাস।তোমাকে চুম্বন
পুরোটা পড়ুনপৃথিবী ধ্বংস হবে প্রেমিকের দীর্ঘশ্বাসে
আরারুত পর্বতে থামা নূহের প্লাবনে,সুপ্ত আগ্নেয়গিরির জীবন্ত বিস্ফোরণে ধ্বংসপ্রাপ্ত লুতের উত্তর পুরুষের নগরী; পম্পেই'র পতনে।তুরের পাদদেশে মুসা'র বেহুঁশ হওয়ার সমান নূরের রোশনাই-এ।খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় কিংবা সুনামির তীব্রতর ব্যাপকতায় পৃথিবী ধ্বংস হয়নি,হবে না প্রকৃতির ঐকান্তিক বাসনায়।গ্রীক, হুণ, তুর্ক ও যাযাবর মঙ্গল আক্রমণে।আরব, ফিনিশিয়, পর্তুগিজ, বর্বর নর্স অভিযানে;চেরোনোবিল, নাগাসাকি আর হিরোসিমায় দিগন্ত
পুরোটা পড়ুন