প্রথম পাতা » মতামত » কেন বাংলাদেশের ফুটবল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলে বিভক্ত?

কেন বাংলাদেশের ফুটবল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলে বিভক্ত?

Argentina vs Brazil in Bangladesh

বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে একটি অদ্ভুত সামাজিক রূপান্তর ঘটে। রাতারাতি শহর, মফস্বল এবং গ্রাম নতুন পতাকায় সজ্জিত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তপ্ত বিতর্ক শুরু হয়, অফিসে বাজি ধরে ম্যাচ দেখা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যানার টানানো হয়, এমনকি অনেক পরিবারেও নীরব বিভাজন তৈরি হয়। বাবা ব্রাজিলের সমর্থক হলে ছেলেও ব্রাজিলের সমর্থক, বড় ভাই আর্জেন্টিনার হলে ছোট বোন ব্রাজিলের। স্বামী-স্ত্রী, বন্ধু কিংবা সহকর্মীদের মধ্যেও প্রায়ই বিপরীত সমর্থন দেখা যায়। এই বিভাজন কখনও শত্রুতা সৃষ্টি করে না; বরং সামাজিক সম্পর্ককে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন এই বিভাজন আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে ঘিরেই? কেন জার্মানি, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স বা স্পেন নয়? যদি উত্তর হয় পেলে, ম্যারাডোনা বা মেসি, তাহলে তা কেবল আংশিক সত্য। কারণ একজন খেলোয়াড় কিংবদন্তি হতে পারেন, কিন্তু তিনি একা একটি দেশের কোটি মানুষের কয়েক প্রজন্মের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আনুগত্য নির্মাণ করতে পারেন না।

বাংলাদেশে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জনপ্রিয়তা পরস্পর-সংযুক্ত প্রক্রিয়ার ফল: উপনিবেশ-উত্তর রাজনৈতিক কল্পনা (postcolonial political imagination), বৈশ্বিক দক্ষিণের (Global South) সঙ্গে আত্মপরিচয়ের নির্মাণ এবং সামাজিক পরিচয়ের রাজনীতি (identity politics)।

বাংলাদেশ একটি উপনিবেশ-উত্তর রাষ্ট্র। ঔপনিবেশিক শাসন, ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা আমাদের জাতীয় চেতনায় আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে একটি মৌলিক রাজনৈতিক মূল্যবোধে পরিণত করেছে। এই অভিজ্ঞতা কেবল রাষ্ট্র বা রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি সংস্কৃতি, সাহিত্য, সিনেমা এবং খেলাধুলার মধ্য দিয়েও পুনর্গঠিত হয়। ফলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অসংখ্য দর্শক অবচেতনভাবেই ইউরোপীয় শক্তিগুলোর তুলনায় লাতিন আমেরিকার দলগুলোর সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক ও মানসিক আত্মীয়তা অনুভব করেন।

এটি কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়। লাতিন আমেরিকার রাষ্ট্রগুলোর ইতিহাসও উপনিবেশ, অর্থনৈতিক নির্ভরতা, সামরিক শাসন এবং বহিরাগত আধিপত্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাস। যদিও বাংলাদেশের ইতিহাস ও আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের ইতিহাস এক নয়, তবু উভয় অঞ্চলের জনগণ বৈশ্বিক ক্ষমতার অসম কাঠামোর অভিজ্ঞতা বহন করে। এই কারণেই আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল অনেক বাংলাদেশির কাছে কেবল একটি ফুটবল দল নয়; তারা বৈশ্বিক দক্ষিণের এমন দুটি প্রতীক, যারা ইউরোপীয় আধিপত্যের কেন্দ্রের বাইরে দাঁড়িয়ে বিশ্বকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

এই প্রতীকী রাজনীতির প্রথম বিশ্বনাগরিক ছিলেন পেলে। ফুটবল ইতিহাসে তাঁর কৃতিত্ব অনন্য, কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক তাৎপর্য আরও গভীর। তিনি এমন এক সময়ে বিশ্ব ফুটবলের মুখ হয়ে ওঠেন, যখন ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের ধারণা আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও প্রভাবশালী ছিল। একজন কৃষ্ণাঙ্গ ব্রাজিলীয় তরুণ বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে স্বীকৃতি পান, এটি কেবল একটি ক্রীড়া অর্জন ছিল না; এটি ইউরোকেন্দ্রিক শ্রেষ্ঠত্বের ধারণার বিরুদ্ধে এক নীরব সাংস্কৃতিক বিপ্লব। পেলে প্রমাণ করেছিলেন যে প্রতিভা, সৌন্দর্য এবং নেতৃত্বের একচ্ছত্র মালিকানা কোনো একটি মহাদেশের নয়। বাংলাদেশের মতো সমাজে, যেখানে ঔপনিবেশিক স্মৃতি এখনও সাংস্কৃতিক চেতনায় সক্রিয়, পেলের সাফল্য প্রান্তিক বিশ্বের আত্মমর্যাদার প্রতীক হয়ে ওঠে।

কিন্তু বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা-প্রেমকে সবচেয়ে গভীরভাবে নির্মাণ করেছেন দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা। তিনি কেবল একজন অসাধারণ ফুটবলার ছিলেন না; তিনি ছিলেন বৈশ্বিক দক্ষিণের বিদ্রোহী প্রতীক। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর দুটি গোল ফুটবল ইতিহাসের অংশ হলেও, উপনিবেশ-উত্তর বিশ্বের বহু মানুষের কাছে সেগুলো ছিল ক্ষমতার বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিরোধের ভাষা। ফকল্যান্ড যুদ্ধের মাত্র চার বছর পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁর পারফরম্যান্স বহু দর্শকের কাছে ক্রীড়ার সীমা অতিক্রম করে রাজনৈতিক অর্থ ধারণ করে। বাস্তবে একটি ফুটবল ম্যাচ কোনো যুদ্ধের প্রতিশোধ নয়, কিন্তু জনপ্রিয় সংস্কৃতি প্রায়ই বাস্তবতার চেয়ে শক্তিশালী প্রতীক নির্মাণ করে। ম্যারাডোনা সেই প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন।

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, ম্যারাডোনার ব্যক্তিত্ব। তিনি নিখুঁত ছিলেন না; বরং তাঁর অসংখ্য বিতর্ক, সীমাবদ্ধতা এবং বিদ্রোহী চরিত্রই তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল। তিনি ছিলেন বস্তি থেকে উঠে আসা এক প্রতিভা, যিনি প্রতিষ্ঠিত ক্ষমতার সঙ্গে সহজে আপস করেননি। এই কারণেই তিনি কেবল আর্জেন্টিনার নায়ক নন; তিনি বৈশ্বিক দক্ষিণের সাংস্কৃতিক কল্পনায় একটি রাজনৈতিক চরিত্রে রূপান্তরিত হন।

Argentina vs Brazil
পেলে ও ম্যারাডোনার যুগ থেকেই বাংলাদেশে ব্রাজিল–আর্জেন্টিনা সমর্থনের শক্ত ভিত গড়ে ওঠে।

এই উত্তরাধিকারকে একবিংশ শতাব্দীতে নতুন অর্থ দিয়েছেন লিওনেল মেসি। মেসির জনপ্রিয়তা ম্যারাডোনার মতো রাজনৈতিক উচ্চারণের ওপর দাঁড়িয়ে নয়; বরং নীরব অধ্যবসায়ের ওপর দাঁড়িয়ে। আধুনিক ফুটবলের করপোরেট যুগে তিনি বিনয়, ধারাবাহিকতা এবং পেশাদারিত্বের এক বিরল উদাহরণ। দীর্ঘ সময় আন্তর্জাতিক শিরোপাহীন থাকার পরও তিনি ফিরে এসেছেন, সমালোচনার জবাব দিয়েছেন মাঠে, এবং শেষ পর্যন্ত কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপ জয় করেছেন। বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত সমাজ, যেখানে সাফল্যকে প্রায়ই দীর্ঘ সংগ্রামের ফল হিসেবে দেখা হয়, সেখানে মেসির জীবনকাহিনি একটি শক্তিশালী সামাজিক অনুপ্রেরণায় পরিণত হয়েছে। ফলে নতুন প্রজন্মের কাছে মেসি কেবল একজন মহান ফুটবলার নন; তিনি ধৈর্য, শ্রম এবং নৈতিক অধ্যবসায়ের প্রতীক।

তবে বাংলাদেশের ফুটবল-সমর্থনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি অন্যত্র। সামাজিক পরিচয় তত্ত্ব আমাদের বলে, মানুষ নিজের পরিচয় শুধু “আমরা” দিয়ে তৈরি করে না; “অপর” দিয়েও তৈরি করে। অর্থাৎ পরিচয় সবসময় সম্পর্কগত। একজন যখন বলেন, “আমি ব্রাজিল”, তখন তিনি একই সঙ্গে বলছেন, “আমি আর্জেন্টিনা নই।” আবার একজন আর্জেন্টিনা সমর্থকের পরিচয়ও ব্রাজিলের অস্তিত্বের মাধ্যমেই অর্থপূর্ণ হয়। প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া পরিচয় অসম্পূর্ণ। এই কারণেই আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থন একে অপরকে টিকিয়ে রাখে। এক অর্থে, বাংলাদেশের ব্রাজিল আর্জেন্টিনাকে সৃষ্টি করেছে, আবার আর্জেন্টিনাও ব্রাজিলকে।

এই যুক্তিই ব্যাখ্যা করে কেন বহু পরিবারে ইচ্ছাকৃতভাবে বিপরীত সমর্থন গড়ে ওঠে। যখন পরিবারের সবাই একই দলকে সমর্থন করেন, তখন প্রতিদ্বন্দ্বিতার নাটকীয়তা হারিয়ে যায়। কিন্তু একজন বিপরীত দল বেছে নিলে খেলা একটি সামাজিক ঘটনায় পরিণত হয়। তর্ক হয়, হাসি-ঠাট্টা হয়, বাজি হয়, আবার ম্যাচ শেষে সবাই একসঙ্গে রাতের খাবারও খায়। রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞানের ভাষায় এটি এক ধরনের নিরাপদ সামাজিক বিভাজন (safe social cleavage) যেখানে বিভক্তি আছে, প্রতিযোগিতা আছে, কিন্তু সহিংসতা নেই। বিশ্বকাপ তাই বাংলাদেশের মতো রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত সমাজে এমন একটি প্রতীকী ক্ষেত্র তৈরি করে, যেখানে মানুষ বিরোধিতা অনুশীলন করতে পারে সম্পর্ক নষ্ট না করেই।

তবে এই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যাখ্যা সম্পূর্ণ হয় না, যদি আমরা বাংলাদেশের নিজস্ব ফুটবল ইতিহাসকে বিবেচনায় না আনি। আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের প্রতি বাংলাদেশের আবেগ কোনো শূন্যস্থান থেকে জন্ম নেয়নি; এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ফুটবলের জনপ্রিয়তার বিস্তার ঘটে মূলত টেলিভিশনের যুগে। আশির দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিয়মিতভাবে ফিফা বিশ্বকাপ সম্প্রচার শুরু করলে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং প্রভাবশালী দুটি শক্তি ছিল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। একদিকে ছিল পেলের উত্তরাধিকার বহনকারী ব্রাজিলের সৃজনশীল, নান্দনিক ও আক্রমণাত্মক ফুটবল; অন্যদিকে ম্যারাডোনার নেতৃত্বে আবেগ, সংগ্রাম এবং প্রতিভার এক অনন্য আর্জেন্টিনা। টেলিভিশনের পর্দায় বাংলাদেশের প্রথম প্রজন্মের দর্শকরা বিশ্ব ফুটবলকে মূলত এই দুই দলের মাধ্যমেই আবিষ্কার করেছিলেন। ফলে ফুটবলের প্রতি তাদের আবেগ শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। পরবর্তীকালে সেই সমর্থন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত পছন্দ হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি পারিবারিক উত্তরাধিকার, সামাজিকীকরণ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশে পরিণত হয়েছে। আজও বহু শিশুর প্রথম প্রিয় দল তার নিজের পছন্দে নয়, বরং পরিবার, প্রতিবেশী কিংবা বড় ভাই-বোনের সমর্থনের ধারাবাহিকতায় নির্ধারিত হয়।

একই সময়ে বাংলাদেশের নিজস্ব ফুটবলের ক্রমাবনতি এই প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করেছে। স্বাধীনতার পর থেকে আশির দশক পর্যন্ত আবাহনী-মোহামেডানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ঢাকা লিগের জনপ্রিয়তা এবং জাতীয় দলের ম্যাচ দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতির কেন্দ্রে ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক দুর্বলতা, পেশাদার ব্যবস্থাপনার অভাব, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বিনিয়োগের সংকটে দেশীয় ফুটবল ধীরে ধীরে তার সামাজিক আবেদন হারায়। যে আবেগ একসময় স্থানীয় ক্লাব কিংবা জাতীয় দলের জন্য সংরক্ষিত ছিল, তা ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক ফুটবলের দিকে স্থানান্তরিত হয়। সেই শূন্যস্থান পূরণ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। এক অর্থে, এই দুটি দল বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিদেশি জাতীয় দল নয়; বরং হারিয়ে যাওয়া দেশীয় ফুটবল-আবেগের প্রতীকী উত্তরাধিকারী। ফলে বাংলাদেশের বহু সমর্থকের কাছে আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলকে সমর্থন করা কেবল বিশ্বকাপ দেখার আনন্দ নয়; এটি এমন এক ফুটবল-পরিচয়কে ধারণ করা, যা দেশীয় ফুটবলের দুর্বলতার কারণে আন্তর্জাতিক পরিসরে নতুন আশ্রয় খুঁজে নিয়েছে।

এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল বিভাজনকে নিছক ক্রীড়া উন্মাদনা বলা যথেষ্ট নয়। এটি একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে উত্তরাধিকারসূত্রে স্থানান্তরিত হয়। এটি একটি রাজনৈতিক কল্পনা, যা বৈশ্বিক দক্ষিণের ইতিহাসের সঙ্গে আবেগগত সংযোগ তৈরি করে। এটি একটি সাংস্কৃতিক ভাষা, যার মাধ্যমে মানুষ নিজের পরিচয় প্রকাশ করে। এবং এটি একটি সামাজিক আচার, যা পরিবার, বন্ধুত্ব এবং সম্প্রদায়ের সম্পর্ককে নতুন অর্থ দেয়।

ফুটবল কখনোই কেবল ফুটবল নয়। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা আমাদের শেখায়, বিশ্বকাপের সময় আকাশি-সাদা কিংবা সবুজ-হলুদ পতাকা কেবল একটি বিদেশি দলের প্রতি সমর্থনের প্রতীক নয়। এগুলো উপনিবেশ-উত্তর স্মৃতি, বৈশ্বিক দক্ষিণের আত্মপরিচয়, প্রতীকী প্রতিরোধ এবং সামাজিক পরিচয়ের রাজনীতির দৃশ্যমান প্রকাশ। বাংলাদেশের মানুষ যখন আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলকে সমর্থন করেন, তখন তাঁরা কেবল একটি দলকে সমর্থন করেন না; তাঁরা অজান্তেই ইতিহাস, পরিচয় এবং রাজনৈতিক কল্পনার একটি দীর্ঘ উত্তরাধিকারকেও বহন করেন।

মতামত থেকে আরও পড়ুন

লেখক পরিচিতি:

মোঃ আল-আমিন
সহযোগী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতল বিতলে আপনার লেখা আছে?আজই লিখুন



আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *