বাংলা আমার মায়ের সমান
তোর ললাটে সিঁদুর দিয়ে ভোরের সূর্যদয়
আলতা রাঙা কদম ছোঁয়ায় নিত্য উদয় হয়।
তোর বুকে-তে দুগ্ধ বুঝি সঙ্খ নদীর জল
যে পানি খায় তৃষ্ণা মিটাই বীর সাহসী দল।
বাংলা আমার মায়ের সমান জোনাক জোনাক মুখ
হাজার বছর আঁচল মেলে দেয় গো আমায় সুখ।
যা-ই ছুটে যা-ই দস্যি তনয় স্বপ্ন রাজের দেশ
লাল-সবুজের সেই শাড়িটি উড়ন্তময় বেশ।

খোকন সোনা চাঁদের কণা
খোকন সোনা চাঁদের কণা
ঘর করেছে আলো
ঘুমপাড়ানি গান শুনে সেই
রাত্রি কাটাই ভালো।
খোকন খোকন মা ডেকেছে
সকাল হলো উঠবা
অযু করে কায়দা নিয়ে
মক্তবেতে ছুটবা।
ছড়ার দেশে
ছড়ার দেশে যাচ্ছি চলে
ছড়ার দেশে ভাই
আছেন যেথা ছড়ার রাজা
সুকুমার রায়।
ছড়ার দেশে নাচবে কলম
উড়বে ঘরের দ্বার
আসবে কবি ছড়ার রবি
জগলুল হায়দার।
আসবে কবি বসবে পাশে
রাখবে হাতে হাত
তখন থেকে লিখবো ছড়া
আমি দিবস-রাত।
ছড়ার রাজা ছড়ার রবি
একটু যদি পাই
পাঠ শুনাবো ছড়ার ছড়া
নিঝুম নিরালায়।
টগর তুলি ঠোঙা খুলি
টগর তুলি ঠোঙা খুলি, পড়বো ছড়া আয়
ফুটছে কলি আসছে অলি, মধু নিয়ে যা-ই।
ছুটছে খুকি উঁকিঝুঁকি, দেখবে মোচাক আর
একলা তো নয় খোকাও যাবে, মহান-এ কারবার।
খুকুর পায়ে ঘুঙুর বাজে, ঝুমুর ঝুমুর ছন্দ
আজ নাকি তার ইস্কুল এবং মক্তব ও বন্ধ।
প্রভাত সুর
একটি মোরগ হাঁক ছেড়েছে
আগ থেকে সে ভোরে
পাখির দলে জীবন ফড়িং
মানুষ ঘুমের ঘোরে।

পাখির মতো উড়ে যেতাম
মানুষ কি আর মানুষ আছে! হৃদয় আছে নাকি?
কখন কবে মানুষ ছিলো! আমার জানা বাকি।
সামনে পিছন ডানে-বামে, সবদিকে সব হায়না
মানুষ তো নয় পাখিই হতে, মন ধরেছে বায়না।
আমার এখন ইচ্ছে জাগে, হতাম পাখি বন্য
পাখির মতো উড়ে যেতাম, পাহাড় কি’বা অন্য।
অল্প
অল্প হাসি অল্প কাঁদি
অল্প কথায় রেশ
অল্প ভালো অল্প খারাপ
চলছে দিনও বেশ!
অল্প সময় অল্প মিটিং
অল্প পথের ধার
অল্প বসে অল্প ভাবি
অল্পতে হয় সার।
অল্পতে হয় গল্প আমার
অল্পতে হয় খেলা
অল্পতে হায় হঠাৎ করে
যাই ফুরিয়ে বেলা।
অল্প রসিক অল্প জটিল
অল্পতে মন জয়
অল্প হাটি অল্প থামি
অল্প জাগে ভয়।
অল্প আঁকি অল্প লিখি
অল্প ভাবায় কবি
অল্প ক্ষণে সঙ্গোপনে
ভাসে তারই ছবি।
