কালো মেঘে ছেয়ে গেলেআসে বাতাস বৃষ্টিহৃদয় মাঝে মেঘ করিলেনিরব কান্নার সৃষ্টি।হঠাৎ বিজলির ঝলকানিতেবজ্রপাতের শব্দমনের মাঝে আঘাত পেলেদাগ থেকে যায় অব্দ।মেঘের কান্নায় বর্ষা হাসেকোলা ব্যঙ্গের ফুর্তিশত্রুর দুঃখে শত্রু খুশিভুক্তভোগী মুর্তি।বর্ষাকালে বন্যা হলেনদীর ভরাডুবিকূলকিনারা ভেঙ্গে গিয়েভাসিয়ে নেয় সবি।এই ঘটনায় মেঘ হারায় তারজলে ভরা কলসিনদীর বুকে ভেসে চলেনদীর দুকূল ভাসি।
পুরোটা পড়ুনছড়া
হঠাৎ করে পড়লাম ঝড়েধূলোয় মাখল গা,দৌড়ের উপর হোটচ খেয়েমচকে গেলো পা।নাকমুখ থুবড়ে ধপাস করেপড়লাম বা পাশে,আমায় দেখে হারুর বেটিহি হি হি হাসে।লুঙ্গিখানা ছিঁড়ে গেছেউু শব্দ মুখে,দোহাই লাগে হারুর বেটিবলিস না কাউকে।ব্যাথার চেয়ে পেলাম শরমমুখ দেখানো ভারগোটাপাড়া খবর পেলছাড় দিল না আর।একে একে সবাই মিলেদিল উপদেশহাঁটবি রাস্তা দেখে শুনেনইলে হবি শেষ।
পুরোটা পড়ুনহাসি হলো শিল্প কলাকত রকম বাহার,হাসি দিয়ে আপন করেআকাশ পাতাল পাহাড়।কেউবা হাসে শব্দ ছাড়ায়কেউবা হাসে শব্দে,কেউবা হাসে মনের ছন্দেকেউবা হাসে কষ্টে।কিছু হাসি চুরি করেঅন্য জনের সাফ মন,কিছু হাসি আঘাত করেকাঁদে আপন জন।কিছু হাসি আড়াল করেমনের যত দুখ,কিছু হাসি ছড়ায় খুশিদুখীর মনে সুখ।কিছু হাসি সৌন্দর্য বাড়ায়গালে পড়ে টোলকিছু হাসির শব্দ কানেবাজায়
পুরোটা পড়ুনএক যে আছে সোনার রাজ্যসব খারাপই ভালো,ভালো লোকে কালো দেখেমন্দ দেখে আলো!সেঁচা মিছা কথায় ভরপুরলালকে বলে নীল;সারাদেশে হইহট্টগোলকান নিয়ে গেল চিল!এই দেশেতে পাতি মাস্তানসমাজ টাকে দেখে;ছেলেরা খায় ভদকা-গাজারসগোল্লা রেখে।সুদ বানিজ্য সহজ কথাঅল্প খেলে ভালো;উচিত কথা বলা বারণমুখ হয়ে যায় কালো।ছেলেরা সব খেলা ফেলেমোবাইল নিয়ে বসে,ইচ্ছে মতো চালায় মোবাইলদিন চলে যায়
পুরোটা পড়ুনহচ্ছে টাকি, শুধুই ফাঁকিইচ্ছে করেই গায়ে মাখিএদিক সেদিক গন্ডগোলেবিচার চলে তালে গোলে।খবর পেলাম, চলে গেলামসিংহ মামার কান্ড দেখলামশুয়ে শুয়ে বিড়ি টানেমজে আছে হিন্দি গানে।তার আসনে শেয়াল রসেবসে বসে অঙ্ক কষেখাজনা নিবে চলতি মাসেনা দিলে তার মাংস খাবে।বিচার চলে ছলে বলেগাধা পড়ল যাতা কলেময়না তোতা কয়না কথাহুতুম পেঁচার মাথা ব্যাথা।হরিণ মিয়ার
পুরোটা পড়ুনযদি ইচ্ছে পূরণ হতোইচ্ছে হলে আমি হতামহুতুমপেঁচার মতো।নিশীথরাতে গাছের ডালেবসে থাকতাম চক্ষু মেলেখেয়াল মতো দেখে যেতামইচ্ছে হতো যতো।ইচ্ছে পূরণ হতো যদিনাবিক হয়ে পেরিয়ে যেতামকত সাগর নদী।সাত সমুদ্র পাড়ি দিতামকূলকিনারায় চিহ্ন দিতামবইয়ের পাতায় লেখা থাকতোকতো শতো স্মৃতি।যদি ইচ্ছে হতো পূর্ণআমায় দেখে এই পৃথিবীরশয়তান হতো শূন্য।অন্ধকারকে ধ্বংস করেআলোয় দিতাম জগৎ ভরেস্বর্গটাকে এনে
পুরোটা পড়ুনভুতভুতের দেশে ভুতের বাড়িভুতের প্রিয় রাত,ভুতের আছে লম্বা কালোতিরিশ জোড়া দাঁত।ভুতের লম্বা ঝাকড়া চুলখিলখিলিয়ে হাসেআধাঁর হলে রাতের বেলায়ভুতেরা সব আসে।বেজায় কালো ভুত দেখতেইয়া লম্বা হা,মাথাটা তার আকাশটা ছোঁয়মাটিতে তার পা।ভুত হলো ভীষন পাজিভয় দেখাবে শুধু,ভুত দেখে ভয় পেয়ে সবচোখে দেখে ধুঁধুঁ।তারা ঝিকমিকতারা ঝিকমিকতারা ঝিকমিকরাতের আকাশ ভরাজ্বলছে নিভছেরঙ বেরঙয়েরলক্ষকোটি তারা।রাতের কালোআলোয়
পুরোটা পড়ুনবনের ভেতর বাঘের বাসবাঘের ক্ষুধা বারো মাস,ক্ষুধা পেলেই বনের বাঘভীষন জুড়ে ছাড়েন হাক,খাবার খোঁজে মারেন লাফবাপরে বাপ।সামনে পেলে হরিণ ছামটকাবে তার ঘারটাহরিণ ছা-রা চালাক খুবতাদের উপর বাঘের ক্ষোভ।
পুরোটা পড়ুনআকাশজুড়ে তারার মেলাতারার বাড়ি কইতারায় তারায় রঙের খেলাচলছে যে হৈ চৈ ।রোদের কোলে মেঘের ছায়ায়আজকে সারা বেলাআজকে হাসি আজকে খুশিআজকে শুধু খেলা।হওয়ায় দুলে ঝাকড়া চুলেআজকে ছুটির দিনআজকে কারও নেইকো পড়াআজকে খুশির দিন।আয় ছেলেরা আয় মেয়েরাদল বেধেঁ এক হইমনের সুখে সবাই মিলেকরবো যে হই চই।
পুরোটা পড়ুনকপাল মিয়া জন্ম নিলেনবিশাল কপাল নিয়াকপাল ঢাকেন কপাল মিয়াটুপি মাথায় দিয়া ॥কপাল মিয়ার কপাল ভালোসকল লোকে বলেএই গরবে কপাল মিয়াবুক ফুলিয়ে চলে ॥সবাই বলে টাকা হয়বিশাল টাকের গুণেকপাল মিয়া সেই খুশিতেস্বপ্নে টাকা গুণে ॥কপাল মিয়া ভাবেন মনেআসছে টাকার খেলএই ভাবনায় খালি মাথায়মাখেন সরষে তেল ॥এমন ভাবনায় কপাল মিয়ারদু:খ গেল নাপুরো
পুরোটা পড়ুন