ঈদ এসেছে ঈদ,ঘর সেজেছে মন মেতেছেগাইছি খুশির গীত।পড়শি পাড়ায় ধুম,নতুন পোশাক পড়বো ঈদেরতাই হারালো ঘুম।চাঁদ উঠেছে চাঁদ,কাল যে ঈদের সাজবো আহা!তাই রাঙাবো হাত।
পুরোটা পড়ুনকবিতা
রমজান শেষে ঐ আকাশেচাঁদ দিয়েছে উঁকি,ঈদ এসেছে ধনী-গরিবসবাই সমান সুখী।ঈদের দিনে ধনী-গরিবএকই পথে চলি,ঈদ মানে তো মহা মিলনকরি কোলাকুলি।পড়ি নামাজ একই সাথেমিলে কাধে কাধ,ভেঙে ফেলি বুকের ভেতরঅহংকারের বাঁধ।
পুরোটা পড়ুনপ্রতিবছর ঘুরে-ফিরেঈদুল ফিতর আসে,ধরার বুকে মুসলিম উম্মাহ্আনন্দেতে ভাসে।ধৈর্য ধরে রোজা রেখেএকটি মাসের পরে,ঈদের সকাল সেমাই পায়েসদিয়ে শুরু করে।কৃষক শ্রমিক ছাত্র-শিক্ষকঈদগাহের মাঠ ভরে,এক কাতারে দাঁড়ায় সবেনামাজ পড়ার তরে।নানান রঙের জামা পরেখোকা-খুকির দলে,আমোদ-প্রমোদ করে সবাইঈদগাহে যায় চলে।সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়েঈদের নামাজ পড়ে,ঈদ মোবারক বলে সবাইবুক জড়িয়ে ধরে।ধনী-গরিব জোয়ান-বুড়োএক আনন্দে সবে,মিলন মেলার এমন
পুরোটা পড়ুনধুম পড়েছে কেনাকাটারসামনে খুশির ইদ,আগে থেকেই খোকন সোনাধরছে বড্ড জীদ।নতুন জামা কিনবে খোকাসাথে নতুন টুপি,এই কথা তার দিদার কাছেবলেছে সে চুপি। নতুন জামা নতুন টুপিপাবে রিমোট গাড়িদিদা বললো বাবার সাথেকরবে না আর আড়ি। খোকন সোনা খুশি হয়েগলা ধরে দিদার,তুমি থাকতে আমার আবারচিন্তা কীসের আর!
পুরোটা পড়ুনঈদ এলে হাসি খুশিথাকে সবার মুখটা,ঘরে ঘরে বিরাজ করেক্ষণস্থায়ী সুখটা।নতুন নতুন পোশাকেভুলে যায় দুখটা,দ্বিধা দ্বন্দ্ব ভুলে আরোবুকে মিলায় বুকটা।আকাশে বাতাসে ঈদেরবাজে খুশির বীণটা,ধনী গরীব সবারইকাটে ভালো দিনটা।
পুরোটা পড়ুননারী বলেই আমার জন্য সাজানো থাকে নিষেধাজ্ঞার যাবতীয় বেড়াজালছিঁড়ে বেরুতে চাইলেই আমি অপয়া নটিমাগীভাংতে চাইলেই আমি উপমা-বারো ভাতারিরনারী বলেই আমি লগ্নভ্রষ্টা নারীলগ্নভ্রষ্ট পুরুষ বলে মানুষের সংবিধানে কিছু নেইনারী বলেই আমি মানুষ নই মাংসপিন্ড শুধুনারী বলেই নিষিদ্ধ হয়ে যাই পবিত্র গ্রন্থ সমুহেরপ্রতিটি পাতায়নারী বলেই বুঝতে পারি নারীবাদী নারীরাওবস্তুত পুরুষতান্ত্রিকভিড়ের মধ্যে কে
পুরোটা পড়ুনচোখে রোদ চশমা- নীলগোলাপি লিপস্টিক ঠোঁটেফটোগ্রাফে তুমিসহস্র চোখ -মুগ্ধ বিমুঢ়তাকিয়ে যাচ্ছে মরেআহা তুমি কেনোঅনিবার্য এমনভেঙে ফেলো চৌচির ক'রেসমগ্র একটা জীবনতুমি কেনো এমন উপমা হলেবিরহী অক্ষর খুঁড়েসহস্র চোখ তাকিয়ে তোমার চোখেগভীর করে মরে যায়শুধু বেঁচে থেকেসুদূরিকানা দেখার ভান করে দেখে নিওতোমার গোলাপি ঠোঁটেআমাকে পোড়াবার চন্দন-চিতাঅপেক্ষা ক'রে আছেআড়ালে -সংগোপনে
পুরোটা পড়ুনমৃত্যুর সমান বয়সে এসে আজঅভিমান নিয়ে নয়,অভিজ্ঞ নাবিকের মতো মাস্তুলতাড়িত হয়ে মনে হয়-আর কিছু জানিনা তো, শুধু জানি এই-সমস্ত নদীর জল শুকিয়ে চর হলেআমি খুঁজবো না কোনোদিন তাকে।সমস্ত ভালোবাসা ঘৃণা হলেআমি বলবো না তাকে- এবার শরীরেহৃদয় মেখে বর্ষাতুর ভিজে রোদ্দুরহবো নাকো আমি।অচেনা মানুষের মতো চেনা শোক ভালোবেসেকিশোরীর স্বল্পদৈর্ঘ্য যৌনতাচেয়েছি হতে
পুরোটা পড়ুনকৃষ্ণচুড়ার কাছে প্রত্যাখ্যাত এই হাতখন্ডিত মানচিত্রের উপশিরা ছুঁয়ে দ্বিখন্ডিত মুখশস্যক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে একদা খুঁজেছিলোবর্ণাঢ্য আলোড়ন বিজন মিছিল।স্বপ্নদ্রষ্টারা তবু মেনে নিতে ভয় পায়– স্বপ্নেরও তীর ধরে হেঁটে যায়পরাজিত পাথরের মেঘ রাজ্যচ্যুত রাজাদের জ্যেষ্ঠ রক্ষিতার বিদগ্ধ উল্লাস।এর চেয়ে বরং দুঃস্বপ্নের বালিয়াড়ি রেখে যেতে পারে কিছু সহজ ভাঙন।দরোজার কাছে এসে ফিরে যাওয়া প্রেম
পুরোটা পড়ুনমামদো ভুতটা ইদানিং প্রায় ফোন করেআলো নিভিয়ে বসে থাকে অন্ধকারেচশমার গ্লাসটা চকচকে,আর দেখি ঠোঁটমনের যত স্মৃতি আছে সবই হয় জোট।আমাকে ভয় দেখিয়ে দারুন মজা নেয়আমার অন্তরাত্মা কাঁপে জানিনা কি চায়তাঁকে নিয়ে কখনও বলিনি মন্দ কিছুতবুও জানিনা কেন ছাড়ছেনা আমার পিছু।ভেবে নিওনা আমি ভয় পেয়েছিকত ভুত এমন নুন-ঝালে খেয়েছি।
পুরোটা পড়ুন