আমি হারাবো, সত্যিই হারাবোমোর তিতাস নদীর কোলে,বুক ভাসিয়ে কাটবো সাতারতাহার শীতল জলে।দু-ধার তাহার কাশ বনেতেহইবে যখন সাদা,পথ ভোলা মন ঘুরবে সেথায়ভেঙে সকল বাধা।পানকৌড়ি আর বকের দলেরসঙ্গী হয়ে আমি,মাছ কোড়াবো সারা দুপুরবোয়াল কাতলা পুঁটি।শীতল হাওয়ায় প্রাণ জোড়াবোআমি বিকেল বেলা,সন্ধ্যা তারার সঙ্গী হয়েগাঁথব তারার মালা।আধার যখন আসবে ঘিরেতিতাস নদীর বুকে,জোনাক পোকার সুখের
পুরোটা পড়ুনকবিতা
"সৃষ্টি সুখের উল্লাসে -আজ গাহিব গানতুলিব জয়ধ্বনি ;পাথরের বুকে খুদিল যাঁরা-বাণী চিরন্তনী।""পদে পদে যাঁরা উড়িবার আশায়-মরিল আকাশ তরে;তাহাদের গলায় পাড়িল মালা,মহাকাল ধরিল যারে।""এ তুফান বারী,দিল যারা পাড়ি -তরী ডুবিল মাঝপথেলক্ষ তরী আসিল পাড়ি-তাহাদের পথে পথে। ""অন্যায় -অবিচার রুখিতে যাঁরা-ধরিল হাতিয়ার,মরিবার পরে উঠিল উচি-তারা বারংবার।""নিষ্প্রাণ-নিঃস্পন্দন মরুর বুকে যাঁরা-আনিল প্রাণের সঞ্চার;বন্দনা গাহি-করহাতে-মাগি
পুরোটা পড়ুনবাইরে আর পারি না বেড়োতেআবার যাব ঘুরতে!!!?তাই কিনেছি কপ্টারশোধ নেবো সবটার।অনলাইনের বাজার,একটু খানি উড়েইউসুল টাকা হাজার।উড়তে গিয়ে খেয়ে আছাড়ইঞ্জিন বেচারা হয়েছে সাবাড়।কই ভেবেছি লাগিয়ে ক্যামেরাড্রোন বানিয়ে দেখব এবারধরণীর চেহারা।এখন উড়বেটা কি ছাই!চাকা থাকলেও হতো একটুমনের কোণে ঠাই ।উড়তে পেরেও পাখির আছে ঠ্যাং,কপ্টারেতে দিলেও চাকাব্যাঙ করতো ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ।
পুরোটা পড়ুনসে বৃষ্টির মাঝে হেটে বেড়ায় নির্লিপ্ত দিনে ।যেন তারাখচিত আকাশের রাত।কালো ও আলোর মিশ্রণেতার রুপ এবং তার চোখ একাকার।এ সেই কমনীয় আলো,যা আকাশ দিতে নারাজ নিষ্প্রাণ দিনকে ।
পুরোটা পড়ুন(মীর মশাররফ হোসেনের “উদাসীন পথিকের মনের কথা”র শিরোনামের অনুকরণ, যদিও বিষয়বস্তুর সাথে কোন মিল নাই)না পইড়া হয় না লেখা!আমি শুধু করি লেখার ধান্দাগলায় ঝুলাইয়া লেখকের ঝান্ডা।বইসা বইসা লাইক গুনিকে কি বলে তাহাই শুনি।লেইখা লেইখা হইছি অন্ধনা পইড়া ছড়াইছি গন্ধ।
পুরোটা পড়ুনযাব আজ ছেড়ে ধরাপরান ছেড়ে ওপারেতে;লবো আজ মৃত্যু আমিসুখের সাথে আঁচল পেতে।তোরা সব পথ খুলে-দে,দ্বার খুলে-দেহাতে তুলে-দে মশাল;খুলে-দে পায়ের বেড়ি,পুড়ে ছাঁই করব আমি,যত সব জঞ্জাল।আমার যে নেই কোনো ভয়মৃত্যু আমার খেলার সাথে;বহুবার মরেছি আমিমৃত্যু দিয়ে মালা গাথি ।আমি এতকাল ছিলাম মৃতমরার মতো ঘরের কোণে;পায়েতে ছিল বেড়ি, হাতে কড়িঘরের টানে।আজ আমার
পুরোটা পড়ুনআমি এক শুকিয়ে যাওয়া নদীযার অন্তরে আজ উত্তপ্ত বালুরাশি,মরুভূমির হাহাকার হৃদয় জুড়েপিপাসায় করুণ আর্তনাদ নিরবধি।আমি এক শুকিয়ে যাওয়া নদী।নব যৌবনে উপচে পড়ি না আরবুকের মাঝে নেই সেই হিল্লোল,নেই সেই দূর্বার দূরন্ত গতি।আমি এক শুকিয়ে যাওয়া নদী।বাজে না আর জলের কলকল ধ্বনিক্লান্তিহীনভাবে বয়ে চলার বালাই নেই,নেই দুধারে সবুজের সমাধি।আমি এক শুকিয়ে
পুরোটা পড়ুনচিন্তিত শ্বশুর মশাইআসে না কেনো মেয়ের জামাই!জামাই গেছে দুইদিন হয়আছে আবার লকডাউনের ভয়!করোনায় ভয় নাইমেয়ের জামাই আসা চাই।জামাই বাবাজি আসার বেলায়করোনারা নাকি দূরে পালায়!ছুটি-ছাঁটার যতো মাসমেয়ে-জামাই বারোমাস।খরচা-পাতির ঠেলা যতোছেলেরা আছে মনের মতো।জামাই-শ্বশুর জিন্দাবাদকরোনার মাথায় হাত।
পুরোটা পড়ুনএরপর আমার চোখগুলো রাস্তায়স্কেটিং করে বেড়াতো,যেন সে এক নীল হুডের রিক্সা। গোলক দৃশ্য থেঁথলে গেলে পরে–একরাশ প্রজাপতি উড়ে যাওয়ার দিনে;আমিও, বনভূমির পরিচয় নিয়েহেরে যাবো মানুষের কাছে।
পুরোটা পড়ুনমৃত্যুর ফেরেশতা এসে বলল, “এই কাদের,আর কত বাঁচতে চাস তুই?খোঁড়া পা আর কানা চোখ নিয়ে কেন এত বাঁচতে চাস তুই?ভিক্ষা মেগে, গালি খেয়ে, সভ্য মানুষের বোঝা হয়েআর কত বাঁচতে চাস তুই?”“এই তো, আর কিছুদিন সময় দাও আমাকে,আর কিছুদিন মাত্র।”, কাদের জানায় গভীর আকুতি।মৃত্যুর ফেরেশতা ফিরে যায়।কাদের তার সর্দি-কাশি-অ্যাজমাওয়ালা বুক ভরে
পুরোটা পড়ুন