ফুল কুড়ালি বুলবুলিরাফুল যে কুড়াইঝুমকোলতার টুনটুনিরাপ্রাণ যে জুড়ায়।ওই যে দেখো দূর- সুদূরেসবুজ বনেফের ছুটে মন বকুল তলায়সঙ্গোপনে।শিশির ঝড়ে পা ধুয়ে যায়দস্যিদলেইচ্ছে হলো নাইতে যেতেনদীর জলে।
পুরোটা পড়ুনসকল পোস্ট
নদীর জলে নৌকা চলেআমার মাথায় কাব্য,৩৬ শে এই জুলাই নিয়েআজ সারাদিন ভাববো।নয় কোটা নয় সবাই সমানতাই ফুঁসিলো ছাত্র,রাজাকারের বাচ্চা কারেকয় হাসিনা মাত্র!কণ্ঠ যে সব ফুটলো পথেরাজাকার রাজাকার,কে বলেছে কে বলেছেস্বৈরাচার স্বৈরাচার!পুলিশ এলো বারুদ ভরেকত্তো চালাই গুলি,ঠাঁই দাঁড়িয়ে সাঈদ, ওয়াসিমবুকটা দিলো খুলি।গুলির তোপে খানখানে বুকশহীদ হলো তাঁরা,তাঁদের শোকেই শক্তি জোগেসবাই দিলো
পুরোটা পড়ুনবৃষ্টিতে ভেজা সামান্য কিছু নয়ভিজতে হলে আকাশে ভাসতে হবে মেঘমেঘের সঙ্গে মেঘের হবে বিয়েমেঘকে হতে হবে গর্ভবতীতারপর প্রসববেদনা-এতোকিছুর পরে তবেই তো বৃষ্টির দেখাতোমাকেও পেতে হবে ফুরসতঅথবা অফিস কিংবা বাজারে যাবার বেলায়ভুল করে ছাতা বাড়িতে ফেলে যেতে হবেদুইপাশে বৃক্ষ-সারি মাঝখানে নিবিড় সড়কসঙ্গে তোমার প্রেমিকা এক শোভা পেতে হবেবৃষ্টিতে ভেজা সামান্য আয়োজন
পুরোটা পড়ুনপোড়ালাশের গন্ধে ভিজে গেছে মাটি ।রাষ্ট্রযন্ত্রের টহলদার ছায়াএড়িয়ে কৌশলেমধুর ক্যান্টিনে যাইখুঁজে ফিরি ড. মিলনরউফুন বসুনিয়া।আমাদের শব্দবন্ধে নিষেধাজ্ঞারজারি হলো প্রজ্ঞাপনআমাদের পদচারণায়পরিপত্র - সীমাবদ্ধতার।বারুদের শব্দ বেওয়ারিশ -আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীআইন অমান্য ক'রেবেয়নেটে বিধ্বস্ত করেছে শহর।১৪৪ ধারাফেলতে হবে ভেঙেযাত্রা শুরু হবে মধুর ক্যান্টিন থেকে।পুনরায় তবে কি জন্ম নিয়েছেআরেকটি ক্ষত বাংলার বুকে!মধুর ক্যান্টিনে যাইপ্রাগমেটিক
পুরোটা পড়ুনভাষা'র মাসএক ঝাঁপিয়ে সবুজ শরীর - লাল ঠোঁটের ওই টিয়েউড়তে উড়তে হঠাৎ করে - বসলো ডালে গিয়ে।এই শরীরে দেখছি আমি - একটি দেশের রেশজানবে তুমি ভাবলে তবে - এটাই বাংলাদেশ।এইতো ভাষা'র মাস জুড়ে যেই - প্রভাতফেরির দলপ্রস্তুতি নেয় একুশ তারিখ - নামবে বিরাট ঢল।প্রভাতফেরি প্রভাতফেরি - শহর-নগর বায়শ্রদ্ধা দিবেন এক
পুরোটা পড়ুননদীর জলে আগুন জ্বলে-আগুন জ্বলে সব বুকে,মাতৃ কোলে মৃত্যু হলে-মৃত্যু তবে মব ফুঁকে।দর্শানো কি চোখ সয়েছে-বর্ষানো কি বৃষ্টি হয়!দৃষ্টি থেকে মন্দ কবে-শেষ ভালো যার কৃষ্টি রয়।বর্গী দেখ বর্গী এলো-পাক না ভারত দেখ চেয়ে,যাসনে ভুলে চমকে বিপদ-মনটা আহা লেট গেয়ে।লাল চূড়াতে মুগ্ধ তুমি-রক্ত দেখে কাঁদবা নাদেশের হয়ে শত্রু ভয়ে-শিঁরদাঁড়া হও ভাগবা
পুরোটা পড়ুনএক পৃথিবী আমার কাছে-মা' নাকি সে জান্নাহ্,মায়ের অসুখ, সুখ কিনি চল-সে যে আমার পান্না।বেদম থেকে আমার যখন-হুঁশ ফিরেছে আল্লাহ,আমার দূরের পথ চলারই-এক মহা সে পাল্লা।অবুঝ সেকি অবুঝ আছি-আজ হয়েছি তড়ি,মায়ের বয়স যেই বেড়েছে-আহ্! বেদনায় মরি।তোমরা যখন বুঝবে বলো-নিরব ভেবে জান-বা,মায়ের অসুখ বাড়ছে বয়স-মানবা কি আর মান-বা!?তাই আমি যে সুখ কিনিতাম-কোথায়
পুরোটা পড়ুনজাহেদুল ইসলাম বাঁধন এর ছড়াসমগ্র
বাংলা আমার মায়ের সমানতোর ললাটে সিঁদুর দিয়ে ভোরের সূর্যদয়আলতা রাঙা কদম ছোঁয়ায় নিত্য উদয় হয়।তোর বুকে-তে দুগ্ধ বুঝি সঙ্খ নদীর জলযে পানি খায় তৃষ্ণা মিটাই বীর সাহসী দল।বাংলা আমার মায়ের সমান জোনাক জোনাক মুখহাজার বছর আঁচল মেলে দেয় গো আমায় সুখ।যা-ই ছুটে যা-ই দস্যি তনয় স্বপ্ন রাজের দেশলাল-সবুজের সেই শাড়িটি
পুরোটা পড়ুনআজকাল যখন তুমি আমার দিকে তাকিয়ে থাকোমনে হয় তাকিয়ে আছো অন্য কারো চোখেআজকাল যখন হাত বাড়িয়ে দু'হাতে হাত রেখে হাঁটো মনে হয় তুমি ধরে আছো অন্য কারো হাতমনেই হয় না যে তুমি হাঁটছো আমারই হাত দুটি ধরে আজকাল যখন আমাকে ছুঁয়ে দাওপরিভ্রমণ করো আমার সমস্ত সৌরভ জুড়েমনে হয় তুমি সাঁতার
পুরোটা পড়ুনপুষ্প বৃক্ষ ও বিহঙ্গ পুরাণ – আহমদ ছফা (বুক রিভিউ)
আহমদ ছফা তৃণবিশারদ কিংবা পাখি বিশারদ না হলেও তার বৃক্ষলতা ও বিহঙ্গ সমূহের প্রতি খুব অনুরাগ ছিলো।সেই অনুরাগ থেকেই এই বইটি লিখেছেন তিনি।আহমদ ছফা একদিন রুশ শিক্ষাবিদ "আন্তন ম্যাকারেঙ্কো'র ❝রোড টু লাইফ❞ বইটি পড়েন।বইটিতে লেখক রাশিয়ার টোকাই ভবঘুরে এবং অনাথ এতিমদের শিক্ষা দেয়ার একটি সুন্দর পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন।বইটা পাঠ করার
পুরোটা পড়ুন