আমার অফিস যেন শেষ হয়েও হয় না। রাত আটটায় বের হয়ে গাড়িতে উঠে আবার ল্যাপটপ খুলে বসলাম। সেই সকালে বড় ছেলে টেক্সট করেছে তার ইউনিভার্সিটির সেমিস্টার ফি জমা দিতে হবে। কাল আবার শুক্রবার। টাকা পাঠাতে পারবো না। সোমবারের আগে হবে না। বড় ছেলেটা থাকে কানাডা। এক বছর হল টরেন্টোতে গিয়েছে
পুরোটা পড়ুনসকল পোস্ট
কেপটাউনে হাসপাতালের একটা কক্ষের কথা
হাসপাতালটির নাম ভিক্টোরিয়া হসপিটাল। সরকারি এ হাসপাতালটি কেপটাউনের ওয়েনবার্গ এলাকায় অবস্থিত। সেখানে আমার চার দিন থাকার দূর্ভাগ্য হয়েছিল। চিকিৎসালয় যত-ই উন্নতি হউক না কেন, সেখানে যেতে বা থাকতে কারো-ই ভালো লাগে না, এটাই সত্য। আর সে কারণেই হাসপাতালে যাওয়া নিজেকে দুর্ভাগ্যের কাতারে এনেছি। হাসপাতালে প্রবেশ করা মাত্রই সবার ফোনে অটো
পুরোটা পড়ুনফেসবুকে ইদানিং আসি কম। এতে একটা উপকার হয়েছে আমার। শরীর স্বাস্থ্য বেশ ভালো আছে। আলহামদুলিল্লাহ। মানসিক যন্ত্রণার কল হলো ফেসবুক। কোনো আশার উপাদান এখানে নেই। কেবলই হতাশা আর হা-হুতাশ! অসামাজিক মানুষ, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, স্বাধীনতাবিরোধীদের এখন পোয়াবারো। এতোদিন মনের কথা বলতে পারেনি। এখন প্রকাশ্যে বলা যায়। সময় এখন বর্ষাকাল, হরিণ খামছায়
পুরোটা পড়ুন২০০৫ সাল। ঢাবির বাংলা বিভাগে ভর্তি সংক্রান্ত কাজে লাইনে দাঁড়িয়েছি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছেলেমেয়েরা এসেছে। ছেলেদের লাইনে সবার মুখে খই ফুটছে। বেলা তখন তিনটা প্রায়। কিছুই চিনি না। দুপুরে খেতেও পারিনি। আমরা হৈ হৈ বলে স্লোগান দিচ্ছি। কাগজ নিতে দেরি কেন, প্রশাসন জবাব চাই- এমন মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। আমাদের চিৎকার
পুরোটা পড়ুনপান্তা বুড়ি পান্তা মাগে- ছন্দ কাটে ছড়ায় ছড়ায়এবাড়ি যায়, ও বাড়ি যায়- ছন্দে ছন্দে গল্প শোনায়বিরিক্ষ (বৃক্ষ) লাগাও- বিরিক্ষ (বৃক্ষ) লাগাওসবুজ বাঁচাও- বাঁচতে হলে।বুড়ির দুটো নাতি আছে- একটা পরান, একটা পাখিসুযোগ পেলেই ওরাও বলে-ও দাদুমা, ও দাদুমা : কেন জপো এসব তুমি, বুঝাও মাথা মন্ডু,বিরিক্ষ (বৃক্ষ) লাগাও- সবুজ বাঁচাও- এমন
পুরোটা পড়ুনহাই স্কুলে আমার একজন হিরো ছিলেন। আমার গাজী স্যার। আমাদের গাজী হুমায়ুন কবির স্যার। প্রচণ্ড জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। শিক্ষার্থীবান্ধব, রাগী, গণিতের আইনস্টাইন খ্যাত আমাদের গাজী স্যারের থাপ্পর ছিল ভুবনবিখ্যাত। তাঁকে দেখলেই সিক্স সেভেনের পোলাপান প্যান্টে হিসু করে দিতো। স্যারের সাস্থ্য ভালো ছিল। গায়ের রঙ ছিল কালো। জটিল জটিল অঙ্কগুলো কতো
পুরোটা পড়ুনস্কুলে প্রথম মার খেয়েছিলাম ক্লাস ওয়ানে। আমার প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক ছিলেন আবদুল ওয়াহাব স্যার। তিনি ছিলেন সাক্ষাত আজরাইল। তাঁর হাতে বেত দেখলেই আমাদের গলা শুকিয়ে প্যান্ট ভিজে যেতো। রাস্তাঘাটে চলতে কিংবা বাজারে গেলে একটাই টেনশন হতো স্যার দেখে ফেলেন কি না? আমরা তাঁকে দেখা দিতে চাইতাম না। তাঁর রুদ্রমূর্তি আজো
পুরোটা পড়ুনআমার হাই স্কুলের সভাপতি ছিলেন সরকার দলীয় এক নেতা। তখন কী তার দাপট! ঐ সময়ে গায়েবি নানা কারণে কয়েকজন শিক্ষকের বেতন বন্ধ হয়ে যায়। আমার শিক্ষকদের দুরবস্থা ছিল ভয়াবহ। একজন স্যার একদিন কাউকে কিছু না বলে কোথায় হারিয়ে গেলেন! তিনি আর ফিরে আসেননি। আরেকজন ঋণের দায়ে, কন্যাদায়গ্রস্ত হয়ে পুরোপুরি পাগল
পুরোটা পড়ুনভয়াবহ বন্যা-জলাবদ্ধতা-নদী ভাঙনের ক্ষতি থেকে টেকসই উন্নয়ন: পানিপথের খনন ও ক্ষতিপূরণ জরুরি
ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার এক বৃদ্ধা বলছিলেন পদ্মা সেতু প্রকল্পে যাদের জমি বাধছে, তারা তো লাখ লাখ টাকা পাচ্ছে। আমার এক আত্মীয় ২২ লাখ টাকা পেয়েছে বাপের বাড়ি থেকে আরো প্রায় ৫০ লাখ টাকা পাবে। অন্যদিকে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার কানুকে তার বসতবাড়ি চারবার মধুমতি নদীতে হারিয়ে এক গ্রাম থেকে আরেক
পুরোটা পড়ুনবিশ্বজয়ী সাকিব বাঙালিকে জয় করতে পেরেছেন কি?
এই মুহূর্তে কিছু লেখাই বিপজ্জনক মনে হয়। একটা লেখার একেকজন একেকরকম অর্থ করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। সময়ই এখন এমন। অস্থির সময়ে সবকিছুতেই সন্দেহ, অস্থিরতা ও অবিশ্বাস। একদিন সবই স্বাভাবিক হবে। আমরা সবাইকে বিশ্বাস করতে শুরু করবো। সেদিনের অপেক্ষায় আছি।বিশ্বজয়ী অলরাউন্ডার সাকিব ক্রিকেটের পরাশক্তিকেও তটস্থ করেন। মাঠ যেদিন সাকিবের পৃথিবীটা
পুরোটা পড়ুন