সংবেদনশীলতা- এই দুরারোগ্য
ব্যাধির মধ্যে আছে চৌপায়া ঝুঁকি-
এ কথা জেনেও দিন শেষে ভ’রে ওঠে চৌবাচ্চা- কবিতার।
এসব সংখ্যালঘু কবিতার দিব্যি কেটে বলি- রাতদুপুরে আমি
বাড়ি ফিরি বোলে লোকেরা আমাকে
মাধবীর খদ্দের ধরে নিলে
আমার তাতে আপত্তি কি আছে! নেই, কেননা আমার হস্তপদ লিপিবদ্ধ
নিয়তিলিপ্ত শ্লেটে,যেমন: জীবন
ও মৃত্যুর কাছে সবকিছু হেরে যায় –
জেনেও মরে যেতে হয়।
তারপর পৃথিবীতে জোনাকিরা জ্বলে
নেভে জ্বলে , সূর্যের আয়ু খসে পড়ে
সূর্য তো ফলবতী নয়
তাই বয়োসোর্ধ হতে থাকে
দিনরাত্রির গণিতে ভর করে
রক্তে মিশে থাকা এক
সোনালি হন্তারক ক্রমশ
আমাকে কবি করে তোলে।
কবি হ’লে ভালো কথা নয় –
এ কথা তদ্ভব সমাজ – সংস্করণ
মনে হয়।
দুরন্ত বালক, পিছলে পড়া তার
আর কাঁটাতার কেবলি বুঝিয়ে দেয়
-চকের চেয়ে সাদা নয়
ব্ল্যাকবোর্ডে চিহ্নিত আফিমের ঘ্রাণ।
বাকাট্টা ঘুড়ির মতো উড়ে যেতে যেতে তোমাকেই ভাবতে পারি
তাই বেঁচে থাকতে চাই কিছুটা সময়।
দুরারোগ্য প্রেম
