আজ মাঝরাত থেকে বৃষ্টি হবেপ্রচন্ড বৃষ্টিপাত ভয়ংকর জলোচ্ছ্বাস দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ থেকেছুটে আসবে গোঁয়ার বাতাসসমুদ্রবন্দরসমূহকে সতর্কসংকেতদেখিয়ে যেতে বলা হয়েছেজাহাজডুবি কনফার্মএদিকে ক্যালিফোর্নিয়া থেকেজনৈক আগন্তুক ভারী লেন্সেরচশমা জড়িয়ে একটি বহুবর্ণপ্রজাপতির দিকেবিলোল তাকিয়ে আছেমাঝরাতের আগেই স্তিমিত হয়ে পড়বে সানাইয়ের বিসমিল্লাহ খাঁঅতঃপর লোকোত্তর অন্ধকারেবর্ণবিধুর সেই প্রজাপতিভারী লেন্সের কাছে দ্বিধাহীনসঁপে দেবে তেইশ বছরেরজমানো আশ্চর্য গোপনএসবের মধ্যে
পুরোটা পড়ুনকবিতা
চিমনি ওড়ানো ধোঁয়াএক টুকরো বিরতিআর বিরতিহীন সাইরেনবাজিয়ে বেড়ায়এ সকল জীবনবিরোধী ঈশ্বরঈশ্বরের বিরুদ্ধে জিহাদতিন প্রস্থ লংমার্চযদিও প্রত্যাদিষ্ট আমি নইআমি প্রলেতারিয়েতযন্ত্রণার নাভিমূলেএকপায়ে দাঁড়িয়ে থাকা দু’পায়া মানুষ
পুরোটা পড়ুনমগডালে, শিরীষের ডাল বেয়ে ঝুলছিল মৃত্যু!গাছটা আদৌ শিরীষ কি না? নাকি অশ্বত্থ?এই নিয়ে শহরে চলছে মাতম! গাছটার নাম কী?পঞ্চমীর চাঁদ ডুবে গেলে কি সে মরেছিল?এই মৃত্যু কি তার সাধের বাসনা? জীবনানন্দের মতো?আচ্ছা, কবিতাটা কার লেখা : যখন গিয়াছে ডুবিয়াপঞ্চমীর চাঁদ…???এরপর পুরো শহর জুড়ে সরগোল…কবিতাটা কার?বেলা ফুরিয়ে গেলে কি লোকটা উঠেছিল
পুরোটা পড়ুনফেঁসে গেছে দুনিয়ার মতলব।দীর্ঘ-রাতে জেগে জেগে মহল্লায় ঘুরে ঘুরে...একজোড়া তালগাছ বাতাসে শির শিরে নয়নে নয়ন রেখে দাঁড়িয়ে আছে চিত্রাহরিণী,চোখ ঝলমল...যুগসন্ধির আলো মেখে পাশের বাড়ির বালিকাবাইরের দিকে চেয়ে আছে, সমাদৃতা।মহাবিশ্বে কতো বিস্ময় ঘটে যায়...বালিকার চোখদ্বয় সে খবর রাখে না।স্বর্গগঙ্গায় এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার দু'শো বিরাশি মাইল বেগেএই উপত্যকা ভেদ করছে
পুরোটা পড়ুনএকটা ঘরে একটা বিড়ালএকটা ইঁদুর মিলেঘরের সকল খাবারগুলোখাচ্ছিলো বেশ গিলে।বিড়াল বেটা এটা—ওটাসামনে যা—ই পায়ইঁদুর ও তার ছানা নিয়েভাগ করে সব খায়।ইঁদুর ছানা তাধিন ধিনাতিড়িং বিড়িং নাচেএমনি তারা ভালোই আছেবিড়াল নানার কাছে।ইঁদুর ভাবে বিড়াল আবারখাবে কী তার ছানাএমন মধুর বাঁধন তাদেরভাবতেও তা মানা!!বিড়াল ভাবছে ছানাগুলোরিষ্টপুষ্ট হলে—পাশের বাড়ির হুলো’কে নিয়েখাবে ওদের গিলে।ক’দিন
পুরোটা পড়ুনসবুজ বাংলাদেশনদীর ধারেই পথপথ ফুরালেই গাঁগ্রামের পরে গ্রাম পেরুলেওসবুজ ফুরায় না।ডানে সবুজ বায়ে সবুজসামনে পিছেও তাইসবুজ শ্যামল ছায়ায় ঘেরাদেশটা আমার ভাই।সবুজ মাঠ সবুজ বনসবুজ পাহাড় বেশসবুজ ছায়া, সবুজ মায়াসবুজ বাংলাদেশ।মামাদের ছড়ানাই মামা, কানা মামা কোন মামা ভালো?চালু মামা, কালো মামা
পুরোটা পড়ুনহৃদয়ের একূল থেকে ওকূলের দূরত্ব কতো?হাজার মাইলের চেয়েও বেশি?একূলের গর্জে ওঠা ঘূর্ণি কেন ওকূলে পৌঁছে না?ওকূলের শোক কেন একূলে শক্তি হয়ে জাগে না?হৃদয়, তুমি কি কবি হবা?একটু সত্যের জোরে দু চারটি পঙক্তি আছড়ে পড়তো দুকূল বেয়ে! উপচে উঠতো শব্দতরঙ্গ, প্রচণ্ড দ্রোহ কিংবা ঘৃণা।হৃদয়, তুমি কি এনাটমির কন্ট্রাক্টর হবা?একটা মেরুদণ্ডের বড়ো
পুরোটা পড়ুনপান্তা বুড়ি পান্তা মাগে- ছন্দ কাটে ছড়ায় ছড়ায়এবাড়ি যায়, ও বাড়ি যায়- ছন্দে ছন্দে গল্প শোনায়বিরিক্ষ (বৃক্ষ) লাগাও- বিরিক্ষ (বৃক্ষ) লাগাওসবুজ বাঁচাও- বাঁচতে হলে।বুড়ির দুটো নাতি আছে- একটা পরান, একটা পাখিসুযোগ পেলেই ওরাও বলে-ও দাদুমা, ও দাদুমা : কেন জপো এসব তুমি, বুঝাও মাথা মন্ডু,বিরিক্ষ (বৃক্ষ) লাগাও- সবুজ বাঁচাও- এমন
পুরোটা পড়ুনকতো কারণেই মন খারাপ হয় মানুষের---ছোটো বেলায় একটা লাঠি লজেন্সের জন্য কী ভীষণ মন খারাপ হতো!একটা আইসক্রিমের অভাব রাজ্যের মেঘ জড়ো করতো মনের ওপর!একটা হাওয়াই মিঠাইয়ের দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া মনকে কতো রকম বিষণ্ণ করেছে!কৈশোরে মন খারাপ হতো একটা ফুটবলের জন্যমন খারাপ হতো হারকিউলিস হেরে গেলেমন খারাপ হতো সিন্দাবাদের দুঃসময়েমন খারাপ
পুরোটা পড়ুনএকটা কবিতা লেখার জন্য মনটা কেমন বিদীর্ণ হয়ে ওঠে!অ-কবির কি কবিতা লিখতে আছে?মাঠভরা ধানক্ষেত, বালুচর, বাঁশি, মেঘমল্লার রাশি রাশি পড়ে থাকে জসীমউদদীনের 'নক্সী কাঁথার মাঠ' এর মতোঅবেলায়, অবহেলায়- কবিতা হয়ে ওঠে না ওরা।অ-কবির হাতে শব্দ আছে বিস্তর, অর্থের বড় টানাটানি!দোয়েল, ফণীমনসার ঝোঁপে ঝোঁপে চারপাশের পেঁচারা উৎ পেতে থাকে। জীবনানন্দ তবু
পুরোটা পড়ুন