দিনগুলো কেমন খটখটে যাচ্ছে শফিকের। সময় মানুষকে কেমন বদলে দেয়। চিরপরিচিত মানুষগুলোও সময়ে সময়ে এমন অচেনা হয়ে যায় যে ভাবলে বিষম লাগে। অসুস্থ সময় মানুষকে করে তোলে বিকারগ্রস্ত। চারদিকে কেবলই নাই নাই ধ্বনি। তবু মানুষ আঁকড়ে থাকে জীবনকেই। এতো অতৃপ্তির মধ্যেও বেঁচে থাকতে কেউই মৃত্যুর আয়োজন করতে চায় না। না,
পুরোটা পড়ুনগল্প
ঢাকা কলেজের সামনে দিয়ে যেতে আজ আর কোনো বেগ পেতে হয় না ফরিদের। নিউমার্কেটে আনাগোনার কতো বছর হলো? হবেইতো প্রায় পঞ্চাশ বছর। সেই যে সংগ্রামের বছর শুরু। আজও চলছে। সেদিনের কথা বেশ মনে পড়ে। শেখ সাহেবের ভাষণের কয়দিন পরের ঘটনা। নকুল কাকা জোর করলো খুব। একটা কিছু না করলে চলবো
পুরোটা পড়ুনবকের ঠ্যাং, দাবড়ানি আর জমিদার বাড়ির দুঃখ
লেখাটা একটা টিপ্পনী দিয়ে শুরু করলাম।বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক বন্ধুর টিপ্পনীঃ কি ব্যাপার! জমিদার বাড়ি নিয়ে লেখা বন্ধ কেন! নতুন নতুন লেখক হওয়ার রসদ কি শেষ? কাছের বন্ধুদের মুখে কিছু আটকায় না। আমি বললাম ফেসবুক এ পোস্ট করে লাইক কমেন্ট গুনতে গুনতে আমার রসদ শেষ। কয়টা লাইক পাব তার উপর আমার লেখার
পুরোটা পড়ুনআরেকটা ভূতের গল্প ও কিছু ডাইগ্রেশনাল কথাবার্তা
গল্পটা আমার দাদার কাছ থেকে শোনা। দাদা এই বছরই ইন্তেকাল করেছেন। দাদার বেহেশত নসিব হউক। দাদা পাকুটিয়া বাজারে এক সময় ডিলারি করতো। আজিজ ডিলার নামে মোটামুটি সবাই চিনে। কেউ কেউ তো দাদাকে জমিদার মনে করতো। কোলকাতার বৃন্দাবন্দ চন্দ্র জমিদার না। অনেক জমি আছে যার জমিদার। এরকম এক কথায় প্রকাশের জমিদার।
পুরোটা পড়ুনপাকুটিয়া বাজার এখনকার মতো অতো শহুরে ছিলো না তখন। বিদ্যুত ছিলো তখনো কিন্তু একবার গেলে আর সহজে আসত না। বিদ্যুত চলে গেলে সব অন্ধকার আর শুনশান নীরবতা। বাজারের মাঝখানে আমাদের বাসা থেকে একটু দূরে একটা জমিদার আমলের পুরাতন পরিত্যাক্ত পায়খানা ছিলো। পায়খানার চারপাশে কলাগাছ আর জঙ্গল দিয়ে ভরা। এখানে এককালে
পুরোটা পড়ুনছোটবেলার ঈদ, জমিদার বাড়ি আর কিছু “বলা-বাহুল্য” কথা
সারা মাস রোজা রাখতাম। কয়েকটা মাঝেমাঝে বাদ পরে যেতো। সেহরীতে উঠতে পারতাম না। আসলে আম্মা ডেকে তুলত না। দিনের বেলায় আমার রোজায় ধরা অবস্থা দেখে মায়া লেগে ডাকত না। মা বলে কথা। মাছের মায়ের মায়া নাই। মানুষের মায়ের পুত্র- কন্যা শোক ঠিকি আছে। মায়েরা বেহেস্ত -দোজখ এর তোয়াক্কা করে না।
পুরোটা পড়ুনআজকে পবিত্র শব-ই-কদর। মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার উপায় নাই। একেতো করোনা তার উপর আম্পান। করোনা না থাকলেও মসজিদে যাওয়া যেতো না মনে হয়। আর গেলেও সারা রাত মসজিদে থাকতে হতো। ঝড় আর বৃষ্টির কারনে বাসায় আসা যেতো না। এই মসিবতের সময় মসজিদে আটকে থাকলেই বেশি নিরাপদ মনে হতো।গ্রামে ছিলাম তখন।
পুরোটা পড়ুনজমিদার বাড়ির পরী, ময়ূর এবং আমার কাকের গল্প
আমার ছেলেবেলার গুটিকয়েক বন্ধুরা প্রথম লেখাটা পড়েছে। পড়ে আবেগে কয়েকজন রীতিমতো আহ্লাদিত। আমাকে বলেছে আরও লিখতে। এই বলাকে অনুরোধও বলা যায় আবার দুর্বল প্রকৃতির হুমকিও বলা যায়। কারণ তারা পারলে দলেবলে লক ডাউন বাড়াতে আন্দোলনে নেমে পড়ে যাতে আমি ঘরে বসে বসে লেখার সময় পাই (এখন আমার সময়ের এমনিতেও
পুরোটা পড়ুনপাকুটিয়া জমিদার বাড়ি ও আমার ছেলেবেলার গল্প
“আপনার ছেলেবেলা নিয়ে কে জানতে চায়? আপনি বিখ্যাত নন। বিখ্যাত মানুষরা ছেলেবেলা নিয়ে লিখলে সবাই পড়ে। আপনি তো মাঠে মারা যাবেন ভাই! ভেবেছিলাম শুধু জমিদার বাড়ি নিয়ে লিখবেন। জমিদার বাড়ির নুপুর পড়া, মাঝরাতে হাটা , অন্যায়ভাবে হত্যাকৃত অতৃপ্ত নর্তকীর কথা থাকবে একটু, তা না। হতাশ হলাম।”আমার লেখা কোন হতাশা নিবারক
পুরোটা পড়ুনএক দেশে ছিল এক রাজা। রাজ দরবারে তিনি তার জ্যোতিষকে জিজ্ঞেস করলেন, বলো জ্যোতিষ রাজ্যের ভবিষ্যত কি?জ্যোতিষ গণনা করতে শুরু করলেন। তার চোখে মুখে চিন্তার ছাপ। রাজা জিজ্ঞেস করলেন কী হয়েছে জ্যোতিষ? তোমাকে এতো চিন্তিত লাগছে কেন?জ্যোতিষ বললেন, হুজুর আগামী কয়েক মাস পর রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা হবে। বন্যার পানিতে তলিয়ে
পুরোটা পড়ুন