নিতান্ত মধ্যরাত্রি শেষে, একটি পাখি ডাক দিয়ে যায়,রাত শেষ হয়ে এলো ভোর নেমে গেছে, শিশির-নিমগ্ন ধরায়।ঢেকে যাওয়া কুয়াশা একটু পর মেখে নিবে রৌদ্র,কুয়াশা আর মেঘের চলবে বিরতিহীন যুদ্ধ, দেখা যাবে মহামতি সূর্য,কখনো সাদা কখনো নীল হবে আকাশ।এখানেই, এই নিরুপম বাংলাকে ভালোবেসে পৃথিবীর দ্বিমাত্রিক প্রকাশ।মজুর কর্মে ছুটছে, চাদর পরে যাবে, ঘাম
পুরোটা পড়ুনসকল পোস্ট
পারসোনা নন গ্রাটা থেকে রাজনীতির যাদুকর অতঃপর ৫ম বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী
প্রায় ২০০ বছর আমাদের শুধু নয় প্রায় সমস্ত বিশ্বকে শাষণ করেছে ব্রিটিশ জাতি। আজ সেই ব্রিটিশ জাতি যে শহর লন্ডন থেকে প্রায়সমস্ত বিশ্বকে শাষণ করত সেই শহরের মেয়র বা শাষক একজন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক সাদিক খান। আর খোদ ব্রিটিশজাতির যিনি শাষক বা প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক তিনি একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত
পুরোটা পড়ুনবিগত জীবনে দুইবার মাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছি। প্রথমবার ২০০৫ সালে ভর্তি পরীক্ষার জন্য। কিন্তু সম্ভবত পরীক্ষার আগেই ঢাবির রেজাল্ট হয়ে গিয়েছিল। যেহেতু চান্স পেয়েছি তাই পরীক্ষা দিতে যাওয়ার কারণ হলো বিশ্ববিদ্যালয়টি দেখে আসা। আমার গ্রামে পাহাড় আছে। তাই বন-জঙ্গল নিয়ে আমার তেমন আদিখ্যেতা নেই। আমার কাছে ক্যাম্পাসটি ভালো লাগলো না।
পুরোটা পড়ুনবছর ঘুরে বার বার ফিরে আসে রক্তপলাশের দিন,আমাদের পলাশরাঙা দিনে আমরাদলবেঁধে চলেছি আগুনপাখি হয়েস্মৃতির মিনারের পাদদেশে,আমরা ছুটেছি ঢোল খরতাল নিয়েবিজয় নিশান উড়িয়ে ধানমন্ডির লেক পেরিয়েবিজয় সরণির পথে পথে,আমরা হেঁটেছি কৃষ্ণচূড়ার ছায়াপথেআগুনের ডালপালা হাতে,আমরা দেখেছি বিজয়ের রঙিন মখমলকী নিদারুণ আবেশে জড়িয়ে রাখেসংশপ্তকের সাহসী রথকে।আজো বিজয় এলেই আগুনমুখো হয়েওঠে শিরীষের ডালপালা, রক্তপলাশগুলোগাঢ়তর
পুরোটা পড়ুন(বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম মহসিন রেজার স্মৃতির উদ্দেশে)আমার তুলিগুলো শুকিয়ে কেমন কাঠ হয়ে গেছেবর্ণিল রঙের সব ছিপি উল্টে পড়েলাল-সবুজের প্লটটা হয়ে গেছে কুচকুচে কালোকেমন নিস্পৃহ,কেমন বিবর্ণ!মর্সিয়া গীতও বিবাগী রাতে রাজসিকের মুখটা মনে করে বিব্রত হয় :'সেদিনও সন্ধ্যা গেছে ফুরিয়েপ্রতিদিনের আমি ছুটছিসামনে রাজসিক।'অপ্রতুল হাসি আর কথার খলখলানি আমিসেদিন মাড়িয়ে এসেছি নিপুণ অভিনেতার মতো।আমার
পুরোটা পড়ুনগৌড়ের সুলতান ছিলেন গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ। তিনি সাহিত্য অনুরাগী মানুষ ছিলেন। পারস্যের কবি হাফিজের সাথে আজম শাহের পত্রালাপ হতো। তিনি বাংলা অঞ্চলে কবি হাফিজকে আমন্ত্রণ জানান।২০০৫ সালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হই। প্রথম বর্ষের অর্ধেক সময় কাটলো আমার বুঝতে পারা না-পারার দ্বন্দ্বে। বাকি অর্ধেক কাটলো আবু জাফর স্যারের
পুরোটা পড়ুনদেশ-কাল-সমাজের নানাবিধ সংস্কার-আচার বিষয়ক কথামালা লিখে আর লাভ নেই। মাস্টারি করে খাই। তাই ভাবলাম সীমিত পরীক্ষাবিহীন পড়ালেখার যুগে ফেসবুকে একটু জ্ঞান কপচাই। আমি ছোটোবেলায়ই ফেসবুকের মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলনকে অপপ্রয়োগ এবং সময়ের অপচয় বলেই সাব্যস্ত করেছি। আমি আগেই বুঝেছিলাম, যে বাঙালি চকলেট কামড়ায়ে খায় তাদের অচিরেই ধৈর্যচ্যুতি ঘটবে। ফেসবুক এখন জাতির
পুরোটা পড়ুনতোমাকে ধান শালিকের দেশে নিয়ে যাবো
তোমাকে একবার ধান শালিকের দেশে নিয়ে যাবো কুমুদিনী ।তারপর তোমার গালের পরতে পরতে মেখে দিবো ধানের ক্ষেতে তামাটে রোদের ঢেউ,প্রান্তিক নগরীর রাজপথ ছুঁয়ে ধীরে ধীরে হেঁটে যাবো হিজল বনের দিকেতখন রোদ গড়াবে বিকেলের বারান্দায়সবুজ গাছের পাতায় পাতায় চুম্বন এঁকে দেহ বেয়ে নেমে আসবে বিকালের শান্ত রৌদ্র রস,তুমি পলক তুলে দেখলে
পুরোটা পড়ুনসিনেমা দেখার একটা নেশা আমার আগে থেকেই ছিল। এমনও দিন গেছে যেদিন পরপর চার শো দেখেছি। তখন ঢাকায় থাকতাম। ১২ টায় আনারকলি, ৩ টায় চম্পাকলি, ৬ টায় ক্যাপরি, ৯ টায় বর্ষণে শেষ শো দেখে ২ টার দিকে এয়ারপোর্ট! বাকি রাতটা সিএনজি অথবা স্টেশনে কাটিয়ে সকাল সকাল বাড়িতে ফিরতাম! কী ভয়াবহ
পুরোটা পড়ুনএকটা ভণ্ড ও ইতর প্রজন্মের বাংলাদেশ
বাইরে খুব একটা যাই না। প্রয়োজনে গেলেও সোজা রাস্তায় হাঁটি। চারপাশে তাকানোর সাহস পাই না। বিড়িখোড় বঙ্গীয় তরুণের পোশাক, মোবাইল-আসক্তি, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, মুখের বিশ্রী শব্দতরঙ্গ কানকে বিশ্বাস করাতে ভরসা পায় না যে, আমাদের সভ্যতা বলতে কিছু আছে? ফেসবুকে আসি, কতক্ষণ থাকি, চলে যাই। কোনো নিউজের কমেন্টবক্সে যাই না। ভয় করে!
পুরোটা পড়ুন