বৃহস্পতিবার আসলে মনটা এমনিতেই ফুরফুরা লাগে। চারদিকে খালি ওয়াও দেখি। শুক্রবারে কোনো কাজ রাখি না। সারা সপ্তাহর সব কাম বৃহস্পতিবার রাতেই শেষ হয়। শুক্রবারে আরামের ঘুম। এখন শাওন মাস। সরি, শ্রাবণ মাস। এই মাসের নামের এই এক তেলেসমাতি। এক নামে নারী-পুরুষ দু-ই আছে। শুক্রবারের সকালটা বৃষ্টিমুখর হলে ভালো হতো। রাতের
পুরোটা পড়ুনসকল পোস্ট
মন খারাপের দিনেবৃষ্টি আনো ডেকে।বাড়ির সবাই মিলেজল খাবো আজ ছেঁকে।টিনের চালে বৃষ্টি হবেঝরঝরিয়ে জল গড়াবে-বৃষ্টি মাথায় ছাতা দিয়েকলকলিয়ে গল্প হবে।
পুরোটা পড়ুনসিতুলি বেগমের প্রথম ছেলেটা জন্মের পরপরেই মারা গেলে সিতুলির মা আছিয়া খাতুন যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে! ছেলের উপরের ঠোঁট কাটা, ঠোঁট নাই বললেই চলে। এরকম ছেলে বেঁচে থাকলে পাড়া প্রতিবেশীদের খোঁচামারা কথা সারাজীবন শোনার চাইতে গোরস্থানে থাকাই শান্তির। পাড়া প্রতিবেশীরা ছেলেমেয়ের দোষ-গুণ মাপে পিতামাতার কর্মফল দিয়ে। ছেলেটা ঠোঁটকাটা হয়েছে যেন
পুরোটা পড়ুন“ক” ব্যবহার করে এতো দীর্ঘ লেখা আমি প্রথম পড়লাম
পুরোটা পড়ে দেখুন খুব ভালো লাগবে আপনাদের।কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজের কনিষ্ঠ কেরাণী কার্তিক কুমার কর্মকারের কোকিল কন্ঠী কন্যা কপিলা কর্মকার কাশিতে কাশিতে করুণ কন্ঠে কমল কাকাকে কহিল, "কাকা, কড়ি কাঠের কেদারা কিংবা কারখানার কাপড় কেনাকাটায় কৃষাণীরা কিছুটা কৃচ্ছতা করিলেও কলকাতার কিশোরী কন্যাদের কাছে কুষ্টিয়ার কুচকুচে কালো কাতান কাপড়ের কদর কল্পনাতীত।কীর্তিমান কতিপয়
পুরোটা পড়ুনএকদিন বাবাকে ভয় পেতামবাবার হাতে লাঠি ছিলবুকে তার স্নেহ ছিলসংসার চালাতেন বাবা।আনতেন লজেন্স আর বাদামটানা,সিদ্ধ জলপাই আনতেনখাতা কলম আনতেনবিগলিত স্নেহে কাছে টানতেন।বাবার কাছে অর্থ ছিলসংসার চালাতেন বাবা।আমরা বড় হলামবাবা হাল ছাড়লেনলাঠি পড়ে গেলহাত রিক্ত হলোবেদনায় সিক্ত হলেন বাবা।এখন ছেলের পাঠানো টাকারদিকে বাবার দৃষ্টিমোটা ফ্রেমের পুরু গ্লাসেবাবার চোখ যেন শীতার্ত নদী।হাত
পুরোটা পড়ুননতুন বিয়াই বাড়িতে বেড়াতে গেছেন ছেলের বাবা। মেয়ের বাবা ঐ বছর মুলা চাষ করে ব্যাপক সফল হয়েছেন। বলা যায়, মুলার বাম্পার ফলন হয়েছে তাঁর। একদিন বিটিভির লোকজন এসে সচিত্র সাক্ষাতকারও নিয়ে গেলো। তিনি হাসিমুখে মুলা হাতে দাঁড়িয়ে থাকলেন। বহু কারসাজি করে ছবি তোলা হলো। যেকোনো শুক্রবারে জুমার নামাজের পর প্রচার
পুরোটা পড়ুনআমার শ্রদ্ধেয় আব্বাজান ২০১২ সালের ৪ জুন আমাকে মেরে ফেললেন! আমি বিবাহিত জীবনে প্রবেশ করলাম! মাস্টার্সের একটা পরীক্ষা তখনো বাকি! বৌকে শখ করে কিছু দিতে পারিনা! কোথাও নিয়েও যেতে পারিনা! টিউশনি করে যা উপার্জন করি তা দিয়ে নিজের পড়ালেখা, বাড়িতে কিছু দেওয়া আর আমার সাতপুরুষের ঋণ শোধ করি! আমার বিয়েতে
পুরোটা পড়ুনএই তো সেদিন, তবু মনে হয় কতোদিন!তোমার কি মনে আছে অহমিকা? সরি, অনামিকা? জানো তো সেদিন সন্ধ্যাবেলা, কী করে মাথায় ভূত চাপলো! ক্যান্টনমেন্ট পেরোনোর নেশায় পেয়ে বসলো! রাত্রি তখন কতো?তুমি নাকি ছোটটার পড়া করে দিচ্ছিলে! আমিতো আসমানের স্বচ্ছ পূর্ণিমায় তোমাকে ডাক দিলাম, ফোনে! তুমি নাকি সচরাচর রাতে কখনো ছাদেই যাও
পুরোটা পড়ুনচতুর্দিকে নর্দমার খোলা ড্রেইনগিজগিজ করছে সুঁইপোকাময়লার ভাগাড়ে উৎকট গন্ধ মেখেদেবালয়ে যায় পাড়ার নটিরাএকটা পা তার খসে গেছেঘাখানায় ধরেছে পঁচন কোনকালেপায়ের পঁচা ঘায়ের কশে মন রাঙিয়েখোলা মঞ্চে ওঠে কথাবেচা বেশ্যারাএক হাতের পাঁচটা নখেলেগে আছে আঁঠালো মলমলমাখা হাতে দারিদ্র্যের ফিরিস্তিফাইলআপ করে অদম্য ষাঁড়েরাপাঠাকে খাসি করে কানু নাপিতনিপুণহাতে বিচিদুটো ফেলে দেয়অতিগোপনে তুলে নিয়ে
পুরোটা পড়ুনকর্ম হোক যথা তথা জন্ম হোক ভালো
আমার পূর্বপুরুষ বলতে দাদাকেই চিনি। দাদার ভাই-বেরাদর আর কে কে ছিল আব্বাকে জিজ্ঞেস করলে আমতা আমতা করে। আব্বার পিতৃপুরুষের কয়েকটি নাম অবশ্য কয় কিন্তু আমার তেমন বিশ্বাস হয় না। ওপারে তাঁর ফুফু, বোন আরো কে কে আছে বলে মাঝে মাঝে বিড়বিড় করে। গত সপ্তাহে আব্বা বললেন, তাঁকে একটা পাসপোর্ট করে
পুরোটা পড়ুন