বিগত জীবনে দুইবার মাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছি। প্রথমবার ২০০৫ সালে ভর্তি পরীক্ষার জন্য। কিন্তু সম্ভবত পরীক্ষার আগেই ঢাবির রেজাল্ট হয়ে গিয়েছিল। যেহেতু চান্স পেয়েছি তাই পরীক্ষা দিতে যাওয়ার কারণ হলো বিশ্ববিদ্যালয়টি দেখে আসা। আমার গ্রামে পাহাড় আছে। তাই বন-জঙ্গল নিয়ে আমার তেমন আদিখ্যেতা নেই। আমার কাছে ক্যাম্পাসটি ভালো লাগলো না।
পুরোটা পড়ুনসকল পোস্ট
বছর ঘুরে বার বার ফিরে আসে রক্তপলাশের দিন,আমাদের পলাশরাঙা দিনে আমরাদলবেঁধে চলেছি আগুনপাখি হয়েস্মৃতির মিনারের পাদদেশে,আমরা ছুটেছি ঢোল খরতাল নিয়েবিজয় নিশান উড়িয়ে ধানমন্ডির লেক পেরিয়েবিজয় সরণির পথে পথে,আমরা হেঁটেছি কৃষ্ণচূড়ার ছায়াপথেআগুনের ডালপালা হাতে,আমরা দেখেছি বিজয়ের রঙিন মখমলকী নিদারুণ আবেশে জড়িয়ে রাখেসংশপ্তকের সাহসী রথকে।আজো বিজয় এলেই আগুনমুখো হয়েওঠে শিরীষের ডালপালা, রক্তপলাশগুলোগাঢ়তর
পুরোটা পড়ুন(বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম মহসিন রেজার স্মৃতির উদ্দেশে)আমার তুলিগুলো শুকিয়ে কেমন কাঠ হয়ে গেছেবর্ণিল রঙের সব ছিপি উল্টে পড়েলাল-সবুজের প্লটটা হয়ে গেছে কুচকুচে কালোকেমন নিস্পৃহ,কেমন বিবর্ণ!মর্সিয়া গীতও বিবাগী রাতে রাজসিকের মুখটা মনে করে বিব্রত হয় :'সেদিনও সন্ধ্যা গেছে ফুরিয়েপ্রতিদিনের আমি ছুটছিসামনে রাজসিক।'অপ্রতুল হাসি আর কথার খলখলানি আমিসেদিন মাড়িয়ে এসেছি নিপুণ অভিনেতার মতো।আমার
পুরোটা পড়ুনগৌড়ের সুলতান ছিলেন গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ। তিনি সাহিত্য অনুরাগী মানুষ ছিলেন। পারস্যের কবি হাফিজের সাথে আজম শাহের পত্রালাপ হতো। তিনি বাংলা অঞ্চলে কবি হাফিজকে আমন্ত্রণ জানান।২০০৫ সালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হই। প্রথম বর্ষের অর্ধেক সময় কাটলো আমার বুঝতে পারা না-পারার দ্বন্দ্বে। বাকি অর্ধেক কাটলো আবু জাফর স্যারের
পুরোটা পড়ুনদেশ-কাল-সমাজের নানাবিধ সংস্কার-আচার বিষয়ক কথামালা লিখে আর লাভ নেই। মাস্টারি করে খাই। তাই ভাবলাম সীমিত পরীক্ষাবিহীন পড়ালেখার যুগে ফেসবুকে একটু জ্ঞান কপচাই। আমি ছোটোবেলায়ই ফেসবুকের মাধ্যমে সামাজিক আন্দোলনকে অপপ্রয়োগ এবং সময়ের অপচয় বলেই সাব্যস্ত করেছি। আমি আগেই বুঝেছিলাম, যে বাঙালি চকলেট কামড়ায়ে খায় তাদের অচিরেই ধৈর্যচ্যুতি ঘটবে। ফেসবুক এখন জাতির
পুরোটা পড়ুনতোমাকে ধান শালিকের দেশে নিয়ে যাবো
তোমাকে একবার ধান শালিকের দেশে নিয়ে যাবো কুমুদিনী ।তারপর তোমার গালের পরতে পরতে মেখে দিবো ধানের ক্ষেতে তামাটে রোদের ঢেউ,প্রান্তিক নগরীর রাজপথ ছুঁয়ে ধীরে ধীরে হেঁটে যাবো হিজল বনের দিকেতখন রোদ গড়াবে বিকেলের বারান্দায়সবুজ গাছের পাতায় পাতায় চুম্বন এঁকে দেহ বেয়ে নেমে আসবে বিকালের শান্ত রৌদ্র রস,তুমি পলক তুলে দেখলে
পুরোটা পড়ুনসিনেমা দেখার একটা নেশা আমার আগে থেকেই ছিল। এমনও দিন গেছে যেদিন পরপর চার শো দেখেছি। তখন ঢাকায় থাকতাম। ১২ টায় আনারকলি, ৩ টায় চম্পাকলি, ৬ টায় ক্যাপরি, ৯ টায় বর্ষণে শেষ শো দেখে ২ টার দিকে এয়ারপোর্ট! বাকি রাতটা সিএনজি অথবা স্টেশনে কাটিয়ে সকাল সকাল বাড়িতে ফিরতাম! কী ভয়াবহ
পুরোটা পড়ুনএকটা ভণ্ড ও ইতর প্রজন্মের বাংলাদেশ
বাইরে খুব একটা যাই না। প্রয়োজনে গেলেও সোজা রাস্তায় হাঁটি। চারপাশে তাকানোর সাহস পাই না। বিড়িখোড় বঙ্গীয় তরুণের পোশাক, মোবাইল-আসক্তি, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, মুখের বিশ্রী শব্দতরঙ্গ কানকে বিশ্বাস করাতে ভরসা পায় না যে, আমাদের সভ্যতা বলতে কিছু আছে? ফেসবুকে আসি, কতক্ষণ থাকি, চলে যাই। কোনো নিউজের কমেন্টবক্সে যাই না। ভয় করে!
পুরোটা পড়ুনমনীষী ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা তাঁর প্রগাঢ় পাণ্ডিত্যের জন্য অল্পবয়সে পেয়েছিলেন 'বিদ্যাসাগর' উপাধি। উপমহাদেশে তিনি ছিলেন ঋষিতুল্য মহামনীষী। বিশেষ করে বিধবা হিন্দু নারীদের পিতৃত্বের দায় নিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন তাদের মুক্তিদাতা, ত্রাতা। বিধবা বিবাহ নিয়ে বিস্তর আন্দোলন করে কট্টর হিন্দুদের কাছে তিনি ব্যাপক সমালোচিত হন। অনেক জায়গায় তিনি বাক-আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন। অনেকে
পুরোটা পড়ুনজীবনানন্দ দাশ : অন্য সময়ের অনন্য স্বর
কবিরা বৈষয়িক নন- এই কথাটি বাংলা সাহিত্যে যে কজন কবির বেলায় প্রযোজ্য জীবনানন্দ দাশ তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য। তাঁর কবিতার বিষয় ছিল বহুমাত্রিক কিন্তু তিনি বিষয়ী লেখক হয়ে উঠতে পারেননি। অর্থের প্রয়োজন তাঁর ছিল কিন্তু অভাব তাঁকে বিনষ্ট করতে পারেনি। তিনি কোনো রাজসভার সভাকবি হননি, হয়েছেন স্ব-ভাব কবি। বাংলা কাব্যে জীবনানন্দ
পুরোটা পড়ুন