এই তো সেদিন, তবু মনে হয় কতোদিন!তোমার কি মনে আছে অহমিকা? সরি, অনামিকা? জানো তো সেদিন সন্ধ্যাবেলা, কী করে মাথায় ভূত চাপলো! ক্যান্টনমেন্ট পেরোনোর নেশায় পেয়ে বসলো! রাত্রি তখন কতো?তুমি নাকি ছোটটার পড়া করে দিচ্ছিলে! আমিতো আসমানের স্বচ্ছ পূর্ণিমায় তোমাকে ডাক দিলাম, ফোনে! তুমি নাকি সচরাচর রাতে কখনো ছাদেই যাও
পুরোটা পড়ুনসকল পোস্ট
চতুর্দিকে নর্দমার খোলা ড্রেইনগিজগিজ করছে সুঁইপোকাময়লার ভাগাড়ে উৎকট গন্ধ মেখেদেবালয়ে যায় পাড়ার নটিরাএকটা পা তার খসে গেছেঘাখানায় ধরেছে পঁচন কোনকালেপায়ের পঁচা ঘায়ের কশে মন রাঙিয়েখোলা মঞ্চে ওঠে কথাবেচা বেশ্যারাএক হাতের পাঁচটা নখেলেগে আছে আঁঠালো মলমলমাখা হাতে দারিদ্র্যের ফিরিস্তিফাইলআপ করে অদম্য ষাঁড়েরাপাঠাকে খাসি করে কানু নাপিতনিপুণহাতে বিচিদুটো ফেলে দেয়অতিগোপনে তুলে নিয়ে
পুরোটা পড়ুনকর্ম হোক যথা তথা জন্ম হোক ভালো
আমার পূর্বপুরুষ বলতে দাদাকেই চিনি। দাদার ভাই-বেরাদর আর কে কে ছিল আব্বাকে জিজ্ঞেস করলে আমতা আমতা করে। আব্বার পিতৃপুরুষের কয়েকটি নাম অবশ্য কয় কিন্তু আমার তেমন বিশ্বাস হয় না। ওপারে তাঁর ফুফু, বোন আরো কে কে আছে বলে মাঝে মাঝে বিড়বিড় করে। গত সপ্তাহে আব্বা বললেন, তাঁকে একটা পাসপোর্ট করে
পুরোটা পড়ুনশুদ্ধতম কবি জীবনানন্দআপনি কোথায়?পতঙ্গ পিঞ্জরে পুনর্জন্মেরসাধ ছিল আপনার!করেছে কি বিধিকার্তিকের কাক,সন্ধ্যার সুদর্শন,কিংবা ভোরের দোয়েল?কখনো কি গিয়েছেনঢাকার রেডিসনেকন্টিনেন্টালেসংসদপ্লাজার সান্ধ্য আড্ডায়???এলিটভবনের করিডোরেকাক নিষিদ্ধসুদর্শন নিষিদ্ধদোয়েল নিষিদ্ধ!!!সেখানে অবিরল শিকারির আনাগোনাআপনার কথা কেউ বলে না!সেখানে হিশেব হয়নগদ নোটেরসফটওয়্যারেরভাংগারি দোকানের, কয়লা কাঠের আরট্রাম্পভর্তি হরিণের!!আপনি পড়ে থাকেন পৃথিবীর দীর্ঘশ্বাসরূপীমধ্যবিত্তের ভাঙা শেলফেবিপণ্ন জীবনেবিবর্ণ হৃদয়ে!!পৃথিবী 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' চায় নাচকচকে
পুরোটা পড়ুনরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'তোতাকাহিনি' গল্পে তোতার লাফ-ঝাঁপ, চলন-বলন যখন বন্ধ হলো, তোতা যখন হয়ে পড়লো নিশ্চল তখনই তার শিক্ষা পুরা হলো। বৃটিশ উপনিবেশিক শাসনে প্রণীত শিক্ষানীতির 'গুড বয়' বানানোর প্রচেষ্টাই আজো আমাদের শিক্ষার মূল। আমাদের শিক্ষায় বিপ্লব-বিদ্রোহ যেমন উপেক্ষিত তেমনি উপেক্ষিত প্রণয়। এখানে বিপ্লব মানে বিরুদ্ধশক্তি, প্রণয় মানে ফষ্টিনষ্টি! ফলে আমাদের
পুরোটা পড়ুনলেখাটার নাম দিলাম 'বিলাপ'! আমার এই কথাগুলো সমাজকে বদলে দেবে না। সমাজের মানুষ এগুলো গ্রহণও করবে না, জানি। মনের ভেতর লুকিয়ে থাকা অব্যক্ত কথাগুলো কয়েকদিন থেকেই ঘুরছে। আনমনে বলাবলি করি। এটা যেহেতু ব্যক্তিগত একটা ডায়রি, সুতরাং এখানে কিছুকথা বলাই যায়। কেউ পড়লে পড়ুক, না পড়লে নাই। বাস্তব জীবনেও আমার কাছের
পুরোটা পড়ুনআমার এক বন্ধু ছিল। নিজেকে সে পরিচয় দিতো 'আকাশ' নামে। সে ড্রাইভারি করে। পূর্বে সড়কে এক যোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন। গণরোষের কারণে যাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। নামে কিবা আসে যায়। গোলাপকে যে নামেই ডাকা হোক সে গন্ধ ছড়াবেই। আবুল ডাকলেও গোলাপ গন্ধ ছড়ায়। আমার বন্ধুর নামটি মনে হয় তার পছন্দ ছিল
পুরোটা পড়ুনঅনেকদিন পর, দীর্ঘদিন দীর্ঘ রজনী কেটে গেছে তুমিহীন,চলন্ত ট্রেন, একটি বগি, মোচড় দিয়ে বেজে উঠল হৃদয়বীণ।আজকে হঠাৎ মুখোমুখি, অযুত নিযুত চাপাপড়া কষ্টশ্রাবণ মেঘের মতো দীর্ঘশ্বাস ভেসে উঠল স্পষ্ট।আমাকে পরিবারে শিখিয়েছিল বেঁচে থাকতে, আর সমাজ শিখিয়েছে কিভাবে মরতে হয়,মুখোমুখি বসে আছি অথোচ কোন কথা নেই। কি চমৎকার নিদারুণ ভয়!চোখ-কান-জিব্বা-নাসিক- ত্বক পঞ্চ
পুরোটা পড়ুনআমাদের শৈশব ছিল বৃষ্টিমাখা রোদ্দুরআমরা বলতাম খেকশিয়ালের বিয়ে হচ্ছে!আমরা পড়তাম- 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুরনদেয় এলো বান'! আহ! কী বিষণ্ন মেদুর!আমাদের তারুণ্যে বৃষ্টি ছিল অবিরাম,আমরা দেখতাম বকের সারির পলায়ন!আমরা জসীমউদদীনের মন খারাপ করা'পল্লীবর্ষা' কবিতা পড়তাম। কেয়াবনের বৃষ্টিদেখে আমরা গাইতাম- 'এমন দিনে তারেবলা যায়...'! আমাদের আকাশজুড়ে বৃষ্টিনামতো- 'বৃষ্টি, বহু প্রতীক্ষিত বৃষ্টি...'!এরপর আমাদের
পুরোটা পড়ুনতীব্র গরমে ভয়ানক স্বাস্থ্য সংকটে আমাদের শিশুরা, বৃদ্ধরা। কেমন আছে যুবসমাজ? বর্তমানে মৃত্যুর হার বেশি এই প্রজন্মের মধ্যে। সংসার-সমাজ, আর্থ-সামাজিক চাপে দিশেহারা যুবসমাজ। সঙ্গতকারণেই স্ট্রোকে মৃত্যুহার বেশি যুব সম্প্রদায়ের জীবনে। গত কয়েক মাসে পরিচিত অপরিচিত মিলে কতজনকে অকালে চলে যেতে দেখলাম! ছোটো ছোটো দুধের বাচ্চাগুলো রেখে তারা চলে গেলেন অনন্তের
পুরোটা পড়ুন