প্রিয়তমা আমার, তোমার সুখের জন্য বেচতে চেয়েছি আকাশ;শরতে জমাট নির্মল নীলের তলায় সফেদ মেঘে সূর্যের আলো,আষাঢ়ের কৃষ্ণচাদরে লুকানো পবিত্র জলধারা,অস্তাপারের আবির রঙা লাল, সাতরঙা রঙধনু।স্যাটেলাইট, আর্টিফিসিয়াল উপগ্রহ আর সাম্রাজ্যবাদীজঙ্গীবিমানের ভয়ে খদ্দের মেলেনি তার।প্রিয়তমা আমার, তোমার জন্য বেচতে চেয়েছি চাঁদ;বিপুল নক্ষত্ররাজির মাঝে সুগোল তোমার টিপের মতোন।ভরা পূর্ণিমার মায়াভরা রাতের অদ্ভূত রূপালি
পুরোটা পড়ুনকবিতা
আয়না হে, তোমার বুকে ভাসাও তুমি প্রিয়তমার মুখ,গালের আভা, ঠোঁটের গাঢ় লিপস্টিকে প্রসাধনীর সুখ।ঠোঁটের নীচে তিলটি জুড়ে আমার ভালোবাসার ছবি, অতল আঁধার, নাকের গভীর সুড়ঙ্গটা পাহাড় গুহা কি!শান্তজলের নিবীরতায় কালো নিটোল দুটি চোখআমায় ডাকে প্রেমের ভাষায়, হলে কিছু হোক।আয়না হে, তোমার বুকে ভাসাও তুমি তেলের কৌটো আর চিরুনিস্নো-পাউডার-লিপস্টিক, কসমেটিকস আর
পুরোটা পড়ুনতুমি ফিরে এসো নূর হোসেনএই বাংলায় আবার, বারবার; তুমি এসো।ঘাতক বুলেটে এফোর ওফোর লাখো শহিদের হৃদয়কিশোরীর স্বপ্ন, গৃহিনীর সংসার, নারীর সম্ভ্রম ধ্বংসের লালসায়ক্ষতবিক্ষত লক্ষ যোনিচূয়া রক্ত-রুধির স্নানে পূত;ছাপ্পানো হাজার বর্গমাইলের এই পুণ্যভূমি জুড়েযখনই শ্বাপদের চারণভূমি, জঙ্গলের নিকষ আঁধার, বিশৃঙ্খলতা।নিয়মের সংবিধানে দুরন্ত সারসের ক্ষিপ্রতায় ছোঁ-মারে-সুযোগ সন্ধানী চিল, দুর্গন্ধ ডানার অসভ্য শকুন।তুমি
পুরোটা পড়ুন১। প্রশ্নঅর্পিতা, একদিন হেমন্তের কোনএক সরস বিকেল,তোমার জানালার বাতাসে মিঠেকড়া রোদের শেষ ঝলকউত্তরের মৃদু, মৃদুতর শৈতিধারায় ভেসে তোমার প্রেম;আমাদের হয়েছিলো তোমার কামরার নির্জনতায়।অবাধ্য দুঃসাহসে তোমাকে ছুয়েছিলো যে হাত, সে আমার।দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষায় তোমাকে নিষ্পেষণের ভঙ্গিতে বেঁধেছিলোযে দুরন্ত দুর্বার বাহু, সে আমার।তোমার পেলব বুকের ধুকপুক থেমেছিলো যে বুকে, সে বুক আমার।আমার খুব
পুরোটা পড়ুনবিবাহ… ১আয়োজনের শুরু থেকে ভেবেছিকি দরকার এ সবের?এরচেয়ে নিরিবিলি নিজেদের মধ্যেভাবাবেগ মিলিয়েকাটানো যেতো সুন্দর কোন মুহূর্ত।আমি তাই করবোকোন এক বিকেলবেলানদীতে নৌকা নিয়ে ভাসতে ভাসতেশপথ নিবোস্বার্থহীন ভাগাভাগি সংঘ গড়ার।তবে কি, এটা আমার ভাবনা..!অন্য কারো অন্য কিছু হবেতা তো স্বাভাবিকবড্ড স্বাভাবিক।বিবাহ… ২মেঘ ছিল আকাশে, শ্রাবণের।ঘাড়ে এক ভূত চাপ নিয়েভাই বিয়ে করতে যাচ্ছে।গাড়ির
পুরোটা পড়ুনএকটা কবিতা বানিয়ে অনেকক্ষণ চেয়ে থাকলাম,তারপর হাসতে হাসতেই কাগজটাকে ছিঁড়ে ফেললাম।এইভাবেই নিজেকে বাঁচাতে হয়।যখনই দেখি ফুলে ফেঁপে উঠছে সত্তা,আমি থেকে উছলে পড়ার ধাত,মাতৃগর্ভের আড়াল খুঁজে পাই তখন স্নিগ্ধ নিঃশব্দে।আজকাল ধপধপে সাদা কিছু হয় না, স্নিগ্ধ নৈঃশব্দ্য ছাড়া।সেখানেও এক-এ এক-এ জোড়ায় অঙ্গের পালক ঝরাতে মিলি।থই থই শ্বাসে বাতাস কাঁপে, ভাল মানুষের
পুরোটা পড়ুনএক টুকরো আকাশ দেখার জন্যআমার বুক যখন আজ হুহু করে উঠলো, তখনআমি দৌড়ে উঠি আমাদের চারতলা বাড়ির ছাদে।সেখানে পৌঁছে দেখিআমার উর্ধ্বমুখী দৃষ্টিসীমা ঘিরে রেখেছেনানা প্রাসাদ, সুউচ্চ আর বিশাল।অথচ, একসময় এই চারতলা বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়েনিচের পৃথিবীটাকে মনে হতো আমার আপন রাজ্য।কারণ, উপরে বিরাট এক আকাশ ছাড়াআমার আর কোনো সুউচ্চ প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো
পুরোটা পড়ুনকিছু ছড়া পড়ার ইচ্ছা হলো। চিন্তা করলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছড়া পড়তে পারি। ইন্টারনেটে সার্চ করে একসাথে পেলাম না। আপনাকে ছড়ার নাম জানতে হবে, সে অনুযায়ী সার্চ করলে পাবেন। অনেক ছড়ার নাম ভুলে গেছি। যে কয়টি ছড়ার নাম মনে পড়লো, সার্চ করে পড়লাম। তাই ছড়াগুলো একসাথে করে পোস্টটি লেখা। কোন জনপ্রিয়
পুরোটা পড়ুনতোমার বাড়ি ম্যালা দূরেহাঁটছি অভিমুখেমনে হয় বুঝি চলেই এলামমন ভরে যায় সুখেসময় দৌড়ে, হাঁটছি আমিদ্রুত হাঁটা দরকারএকি বিপদ! সামনে নদীথেমে যাই নদী পারসবার বাড়ি নদীর ওপারআমার কেবল এপারতোমায় ছাড়া বাঁচাও বৃথাসাহসও নেই তা ভাবারজানিনা সাঁতার, নৌকাও নেইদরকার একটি সেতুএই পারে মোর বাড়ি কেন হলো?জানিনা তাহার হেতু
পুরোটা পড়ুন১/ছুঁটতে থাকা সময় নির্বাকবৈবাহিক বাতাসে চিরসখা মেঘের ঘ্রাণ।আমার শরীর থেকে আমি সংগ্রহ করি তোমায়ওগো, আনন্দদেহ; তোমার প্রখর উজ্জ্বলতা…২/পাঁচ পাপড়ির ফুলই, এক টুকরো আলোর চুম্বন দাও।ধীরভাবে এসো; টলটল করা এক পরিত্যক্ত ঠোটে৩/পথই খুঁজে বেড়ায় অন্তিম পথনির্লিপ্ত গায়ে বাতাসের অন্তর্ধানতোমাকে ছড়িয়ে দিয়েছি আর খুঁজবো না..৪/টেলিফোন বাজছেঅভিমানের আড়াল থেকে জেগে উঠুক কণ্ঠস্বরআমি তো
পুরোটা পড়ুন