স্কুলে প্রথম মার খেয়েছিলাম ক্লাস ওয়ানে। আমার প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক ছিলেন আবদুল ওয়াহাব স্যার। তিনি ছিলেন সাক্ষাত আজরাইল। তাঁর হাতে বেত দেখলেই আমাদের গলা শুকিয়ে প্যান্ট ভিজে যেতো। রাস্তাঘাটে চলতে কিংবা বাজারে গেলে একটাই টেনশন হতো স্যার দেখে ফেলেন কি না? আমরা তাঁকে দেখা দিতে চাইতাম না। তাঁর রুদ্রমূর্তি আজো
পুরোটা পড়ুনগল্প
আজ গল্প বলার দিন। মাথার ভিতর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতটা ঢুকিয়ে দিলেন আমার কলেজ জীবনের দুজন মহান শিক্ষক। একজন আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. উপল তালুকদার। তিনি আমাকে বা ক্লাসে এ বিষয়ে কিছু বলেন নি। আমি তাঁর ক্লাসের জন্য ছিলাম পাগল। স্যার তখন আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের বাংলার প্রভাষক। আমি
পুরোটা পড়ুনআমার নাম অ্যাভোকাডো। বৈজ্ঞানিক নাম Persea Americana. আমি মূলত নিজেকে মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার পরিচয় দিয়ে চলি। আপনার যেমন একটা সংক্ষিপ্ত নাম আছে, তেমনি আমারও একটা আছে :- অ্যাভো। গাছ থেকে তুলে এনে বিক্রয় করার জন্য আমাকে বাজারে তোলা হয়। আমি কতটুকু সুুন্দরী তা বলতে পারবো না। ওজনে ৩০০ থেকে
পুরোটা পড়ুনসৈয়দ আলী আশরাফ সাহেব অবসর জীবনে প্রবেশ করলেন গত বছর মে মাসে। সরকারি চাকরি করতেন। চাকরি সরকারি হলেও তিনি তেমন 'সুবিধা' করতে পারেননি। শহরতলীতে মাত্র তিন শতক জমি কিনেছেন। তবু রাস্তা নিয়ে নানা সমস্যা। আড়াই ফুট প্রশস্ত রাস্তা তিনি উচ্চদামে কিনে নিয়েছেন। পায়ে-হাঁটা পথ। দুই ব্যাগ বাজার করলে দুই হাতে
পুরোটা পড়ুনটিউশন থেকে ফিরতে ফিরতে রাত এগারোটা। এই টিউশনটা বেশ দূরে। মিরপুর ১৪ থেকে ফিরতে বহু ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। তবু তো ছেড়ে দেওয়ার উপায় নেই। সবেধন নীলমণির মতো এই একটি টিউশনই এখন ভরসা। চার হাজার পাঁচশ টাকা এই বাজারে কিছুই না। তবু এই টাকাটার কতোই না মূল্য ! বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স
পুরোটা পড়ুনসিতুলি বেগমের প্রথম ছেলেটা জন্মের পরপরেই মারা গেলে সিতুলির মা আছিয়া খাতুন যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে! ছেলের উপরের ঠোঁট কাটা, ঠোঁট নাই বললেই চলে। এরকম ছেলে বেঁচে থাকলে পাড়া প্রতিবেশীদের খোঁচামারা কথা সারাজীবন শোনার চাইতে গোরস্থানে থাকাই শান্তির। পাড়া প্রতিবেশীরা ছেলেমেয়ের দোষ-গুণ মাপে পিতামাতার কর্মফল দিয়ে। ছেলেটা ঠোঁটকাটা হয়েছে যেন
পুরোটা পড়ুনআমার শ্রদ্ধেয় আব্বাজান ২০১২ সালের ৪ জুন আমাকে মেরে ফেললেন! আমি বিবাহিত জীবনে প্রবেশ করলাম! মাস্টার্সের একটা পরীক্ষা তখনো বাকি! বৌকে শখ করে কিছু দিতে পারিনা! কোথাও নিয়েও যেতে পারিনা! টিউশনি করে যা উপার্জন করি তা দিয়ে নিজের পড়ালেখা, বাড়িতে কিছু দেওয়া আর আমার সাতপুরুষের ঋণ শোধ করি! আমার বিয়েতে
পুরোটা পড়ুনআমার এক বন্ধু ছিল। নিজেকে সে পরিচয় দিতো 'আকাশ' নামে। সে ড্রাইভারি করে। পূর্বে সড়কে এক যোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন। গণরোষের কারণে যাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। নামে কিবা আসে যায়। গোলাপকে যে নামেই ডাকা হোক সে গন্ধ ছড়াবেই। আবুল ডাকলেও গোলাপ গন্ধ ছড়ায়। আমার বন্ধুর নামটি মনে হয় তার পছন্দ ছিল
পুরোটা পড়ুন“পরানের পদ্মবনে” সমরেশ মজুমদার
আমার বড় ভাই কলেজে বাণিজ্য বিভাগ থেকে প্রথম স্থান অধিকার না করলে সেই ক্লাস এইটেই সমরেশ মজুমদারের লেখা পড়ার সুযোগ হাতে আসত না। পায়ে তীর গেঁথে রক্তাক্ত প্রচ্ছদ দেখে সেদিন স্কুল থেকে ফিরেই ভাবলাম আজকে আর মাঠে খেলতে যাব না, বইটা পড়া শুরু করব। বইয়ের নামটার মধ্যেও কেমন যেন একটা
পুরোটা পড়ুনআমার শৈশব কেটেছে পরীক্ষাবিহীন। গ্রামের মেঠোপথ, ধানিজমির আলপথ আর রবীন্দ্রনাথের ছোটনদী ছিল আমার শৈশবজুড়ে। ছোটবেলায় পাহাড়েও গিয়েছি কতো! মহিষের গাড়িতে চড়ে নদীর চর, পাহাড়িয়া পথ, বালু আর কাদার সাগর পাড়ি দিয়ে চলে যেতাম যখন তখন।ছেলেপেলেরা সকালে খেয়ে বের হলে আর সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে ফিরতে পারলেই আমাদের মা-বাবার জন্য যথেষ্ট
পুরোটা পড়ুন