আমার শৈশব কেটেছে পরীক্ষাবিহীন। গ্রামের মেঠোপথ, ধানিজমির আলপথ আর রবীন্দ্রনাথের ছোটনদী ছিল আমার শৈশবজুড়ে। ছোটবেলায় পাহাড়েও গিয়েছি কতো! মহিষের গাড়িতে চড়ে নদীর চর, পাহাড়িয়া পথ, বালু আর কাদার সাগর পাড়ি দিয়ে চলে যেতাম যখন তখন।ছেলেপেলেরা সকালে খেয়ে বের হলে আর সন্ধ্যার দিকে বাড়িতে ফিরতে পারলেই আমাদের মা-বাবার জন্য যথেষ্ট
পুরোটা পড়ুনগল্প
ভাগ্যটা আমাদের ভালই বলতে হবে। আজকে বিষ্যুদবার। হাফ স্কুল। দুপুরে খেয়েই মেলার দিকে রওনা হতে পারব। খায়রুল, রবিদাস আর কালিদাস খালপাড়ে অপেক্ষা করে থাকবে, আমি যেন খাওয়া শেষ করে দেরি না করি। প্লেটে হাত ধুয়ে স্কুলের শার্ট প্যান্টেই খালপাড়ে ব্রিজের ঢালে দৌড়ে যাই। দুপুরে খেয়েই কুত্তার মতো দৌড় দিয়েছি দেখে
পুরোটা পড়ুনখাটের ক্যাচক্যাচ শব্দে ঘুম ভাঙলে খুবই বিরক্ত লাগে সোনাফরের। অথচ প্রায় প্রতিদিনই তার সাথে এ ঘটনাটি ঘটে। চোখে মুখে বালিশ চাপা দিলেও শব্দ দূর হয় না। বরং আরো ঘনীভূত হয়। মিস্ত্রি ডেকে খাটটা ঠিক করাবে তা-ও মন চায় না। এই খাটে না ঘুমাতে পারলেই ভালো হতো। কিন্তু সম্ভব না। স্ত্রীকে
পুরোটা পড়ুনহরমুজ আলী। জটিল মনের মানুষ। স্বভাব বেশি সুবিধার না। যারে তারে চড় থাপ্পর মেরে বসে হঠাৎ করেই। খুবই উগ্র মেজাজ তার। তার এক বন্ধু মরণাপন্ন হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। হরমুজের খুব শখ বন্ধুকে দেখতে যাবেন কাঁঠাল নিয়ে। সবাই আপেল কমলা নিয়ে যায়। হরমুজের শুভাকাঙ্ক্ষীরা টিপ্পনি কাটে- "কী মিয়া কাঁঠাল নিয়া কেউ
পুরোটা পড়ুন"গঙ্গাফড়িং লাফিয়ে চলেবাঁধের দিকে সূর্য ঢলে৷"“দুই মুসাফির” গল্পটা পড়ছিলাম। সিলেবাসে নাই তারপরও পড়ছি। সিলেবাসের সব পড়া শেষ। বৈশাখের দুপুর বেলার হাহাকার ধামাচাপা দেয়ার জন্য গল্পটা পড়ছি সেটাও বলা যায়। সারা শরীর বেয়ে ঘাম গড়িয়ে পড়ছে। গলায় ঝুলিয়ে রাখা গামছা দিয়ে মোছার সাথে সাথে আবার ঘেমে উঠছে। টিনের ঘরে গরম বেশি
পুরোটা পড়ুনআমার গল্পগুলো আর বুঝি বলা হল না! না বলা গল্পেরা ঘুমের মধ্যে দুঃস্বপ্ন হয়ে তাড়া করে। একটা গল্প শুরু করলে আরেকটা এসে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে দেয়৷ তার টা আগে বলতে হবে৷ তাড়া খেয়ে মাথার মধ্যেই গল্প লিখতে শুরু করি। আলমাস আর বাহারামের গল্প। বর্ষাকালে খালে পানি আসলেই দুই ভাই এক
পুরোটা পড়ুনছয় ঘন্টা সময় কিভাবে কাটাব তা আগে থেকেই মনে মনে ভেবে রাখলাম। সকাল সাড়ে সাতটায় উঠে আটটার মধ্যে রওনা হতে পারলে নয়টা নাগাদ কলাবাগান থেকে গুলশান-১ এ পৌঁছানো যাবে। সময়মতো রওনা হয়ে পৌনে নয়টার মধ্যে শেবতির অফিসের সামনে হাজির হলাম। শেবতিকে নামিয়ে দিয়ে প্রথম কাজটা হবে একটা ভালো নাস্তার দোকান
পুরোটা পড়ুনএকটি চকলেটের জন্য জীবন দেওয়ার কাল সবার জীবনেই এসেছে কম-বেশি। কেউ আবার একটি গোলাপের জন্যও জীবনকে বিসর্জন দিতে চেয়েছেন, হয়তো দিয়েছেনও কেউ কেউ। আমি গোলাপকে অবশ্য ছুঁতেও পারিনি। একবার ত্রিশ মিনিটের জন্য একটি গোলাপ এসেছিল! একগুচ্ছ প্রেম নিয়ে! ঘটনা সত্য।তার সাথে শাহবাগে শেষ দেখা করে ঐ দিনের জন্য বাসায় ফিরছিলাম।
পুরোটা পড়ুনসময়মতো বাস ছেড়ে দিল। একজন লোক দৌঁড়ে আসছে। সে প্রাণপণে চেষ্টা করছে বাসে ওঠার জন্য। বাসের সব সিট ফিলাপ! কিন্তু লোকটা দৌঁড়াচ্ছে কেন? আমি হাত বাড়িয়ে দিলাম। লোকটা একটা আহাম্মক। আরেকটু হলেই সে চাকার নিচে চলে যেতো। জীবনের মায়া ত্যাগ করে কেউ এভাবে বাসে ওঠে? পরে তো আরো বাস আছে।
পুরোটা পড়ুনতখন গোল্লাছুট, দাঁড়িয়াবান্দা, বৌ-ছি, কানামাছি এরকম অনেক আউটডোর খেলা ছিল। কয়েকটা খেলা ছিল ইনডোর। সাধারণত বৃষ্টির দিনে এসব ইনডোর খেলার কদর ছিল বেশ। আমাদের ছোটবেলায় একটি খেলার নাম ছিল জামাই-বৌ খেলা। পরে জানলাম রবীন্দ্রনাথের 'একরাত্রি' গল্পের সুরবালা ও সেকেন্ড মাস্টার নায়কও বাল্যকালে এ খেলা খেলেছেন। খেলাটির প্রবক্তা কে তা জানি
পুরোটা পড়ুন