বাক্সে বন্দী ছিল গল্পটি

লেখাটি লিখেছিলাম ২০০৭ সালে৷ আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা দেব৷ থাকি বিজয় সরণীর কাছে একটা বাসায়৷ নীলক্ষেত থেকে কেনা ছোট একটা প্যাডে লিখেছিলাম৷ আজকে অনেকদিন পর খোঁজে পেলাম৷ ঠিক যেভাবে লিখেছিলাম সেভাবেই টাইপ করলাম৷ কিছু কিছু জায়গায় পরিমার্জন করা উচিত ছিল৷ করি নাই ইচ্ছা করেই৷ আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর

Read More

বিদ্যাভবন লাইব্রেরী

পাকুটিয়া বাজারে যাকে বলে মোটামুটি বড়সড় একটা লাইব্রেরী হয় ১৯৯৯ বা ২০০০ সালের দিকে মনে হয়৷ বা তারও আগে বা পরে৷ সঠিক সাল মনে নাই৷ নাম ছিল বিদ্যাভবন লাইব্রেরী৷ মালিক জনাব রুহুল আমীন৷ আসামের হাইলাকান্দি জেলায় এই নামে একটা লাইব্রেরী আছে৷ এটা পরে জেনেছি৷ বেশ অনেকদিন পুরোদমে টিকে ছিল পাকুটিয়ার

Read More

আসমানীর ধলু

উপলক্ষ ছাড়া যে লেখা হয়না তা নয়। তবে উপলক্ষ সামনে রেখে লিখলে ব্যাপারটিতে কিছুটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাব আসে। যদিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কথাটায় কিছুটা নেতিবাচক ভাবের ছিটেফোঁটা আছে। ইতিবাচক-নেতিবাচক মিলিয়েই সবকিছু। মানুষ থেকে পরমাণু সবই এই দুই বাচকতার অধীন। ইলেক্ট্রন-প্রোটন যেমন আছে, একই মানুষের ভেতরে কেউ ছবি আঁকে একমনে আবার সে ছবিখান নষ্ট

Read More
woodcutter

সোনার কুড়াল, রূপার কুড়াল আর লোহার কুড়ালের গল্প

আমার ফুপুরা আমাদের বাড়ির পাশ দিয়েই দাদা বাড়িতে যেতো।আমাদের বাড়িতে পা দিতও না । হাতির পা গরিবের বাড়িতে পড়ে মাটিতে ডেবে পা আটকে যাওয়ার ভয়ে আর কি! আমাদের বাড়ি আর দাদার বাড়ি আলাদা কেনো সেটা আরেক গল্প। বলার মতো তাই পরে বলা যাবে।আমার আব্বার অর্থনৈতিক অবস্থা এক সময় খুব খারাপ

Read More
Rose

স্টিকার

ক্লাস সিক্সে উঠলাম। সাদা শার্ট আর নেভী ব্লু প্যান্ট ওয়ালা স্কুল ড্রেস বানালাম। কিছুদিন যেতেই সাইকেলে উঠতে গিয়ে প্যান্ট এর এক জায়গায় হাটুর কাছে ছিঁড়ে গেলো। সেলাই করার পর সেলাইয়ের দাগ বুঝা যেতো একটু একটু। দুই মাসের মাথায় নতুন প্যান্ট বানানোর প্রশ্নই উঠে না। পিতৃদেবের অবস্থা বেগতিক।মামুন নামে এক লোকের

Read More

বকের ঠ্যাং, দাবড়ানি আর জমিদার বাড়ির দুঃখ

লেখাটা একটা টিপ্পনী দিয়ে শুরু করলাম।বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক বন্ধুর টিপ্পনীঃ কি ব্যাপার! জমিদার বাড়ি নিয়ে লেখা বন্ধ কেন! নতুন নতুন লেখক হওয়ার রসদ কি শেষ? কাছের বন্ধুদের মুখে কিছু আটকায় না। আমি বললাম ফেসবুক এ পোস্ট করে লাইক কমেন্ট গুনতে গুনতে আমার রসদ শেষ। কয়টা লাইক পাব তার উপর আমার লেখার

Read More

আরেকটা ভূতের গল্প ও কিছু ডাইগ্রেশনাল কথাবার্তা

গল্পটা আমার দাদার কাছ থেকে শোনা। দাদা এই বছরই ইন্তেকাল করেছেন। দাদার বেহেশত নসিব হউক। দাদা পাকুটিয়া বাজারে এক সময় ডিলারি করতো। আজিজ ডিলার নামে মোটামুটি সবাই চিনে। কেউ কেউ তো দাদাকে জমিদার মনে করতো। কোলকাতার বৃন্দাবন্দ চন্দ্র জমিদার না। অনেক জমি আছে যার জমিদার। এরকম এক কথায় প্রকাশের জমিদার।

Read More
ghost

একটি ভূতের গল্প

পাকুটিয়া বাজার এখনকার মতো অতো শহুরে ছিলো না তখন। বিদ্যুত ছিলো তখনো কিন্তু একবার গেলে আর সহজে আসত না। বিদ্যুত চলে গেলে সব অন্ধকার আর শুনশান নীরবতা। বাজারের মাঝখানে আমাদের বাসা থেকে একটু দূরে একটা জমিদার আমলের পুরাতন পরিত্যাক্ত পায়খানা ছিলো। পায়খানার চারপাশে কলাগাছ আর জঙ্গল দিয়ে ভরা। এখানে এককালে

Read More
eid mubarak

ছোটবেলার ঈদ, জমিদার বাড়ি আর কিছু “বলা-বাহুল্য” কথা

সারা মাস রোজা রাখতাম। কয়েকটা মাঝেমাঝে বাদ পরে যেতো। সেহরীতে উঠতে পারতাম না। আসলে আম্মা ডেকে তুলত না। দিনের বেলায় আমার রোজায় ধরা অবস্থা দেখে মায়া লেগে ডাকত না। মা বলে কথা। মাছের মায়ের মায়া নাই। মানুষের মায়ের পুত্র- কন্যা শোক ঠিকি আছে। মায়েরা বেহেস্ত -দোজখ এর তোয়াক্কা করে না।

Read More

শব-ই-কদর নিয়ে বাল্য স্মৃতি

আজকে পবিত্র শব-ই-কদর। মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার উপায় নাই। একেতো করোনা তার উপর আম্পান। করোনা না থাকলেও মসজিদে যাওয়া যেতো না মনে হয়। আর গেলেও সারা রাত মসজিদে থাকতে হতো। ঝড় আর বৃষ্টির কারনে বাসায় আসা যেতো না। এই মসিবতের সময় মসজিদে আটকে থাকলেই  বেশি নিরাপদ মনে হতো।গ্রামে ছিলাম তখন।

Read More