চঞ্চল চৌধুরী। বাংলাদেশের একজন গুণী অভিনেতা। নাটকের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলাম বলে তাঁর সাথে প্রথম দেখা মঞ্চে। আরণ্যক নাট্যদলের একজন নাট্যকর্মী তিনি। সম্ভবত ২০০০ সালে প্রথম তাঁকে মঞ্চে দেখি 'সংক্রান্তি' নাটকে। ছোট্ট একটা কারেক্টার প্লে করেছিলেন। কিন্তু সেদিনই তাঁকে আলাদা করে চিনে নিয়েছিলাম। এরপর তাঁর দুর্দান্ত অভিনয়ে সাড়াজাগানো মঞ্চনাটক 'রাঢ়াং',
পুরোটা পড়ুনসুজন হামিদ এর ব্লগ
মানুষের মতো নিঃসঙ্গ প্রাণি পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।
আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আমি মোট পোস্ট করেছি: 142 টি
লিখছি June 2020 থেকে
গোলাম সবুরের প্রথম কাব্য- জাল ফেলছে অপরূপ শিকারি: নিঃশব্দ জীবনলোকে নিঃসঙ্গ বিহার
প্রথম কাব্যেই কবি শিল্পস্বভাবে সমকালীন সমাজমানস থেকে দূরে থাকার প্রয়াস নিয়েছেন। বাংলা কাব্যে একসময় ক্রিয়াশীল ছিল বোধ, কিন্তু একালে কবিতার মূল চালিকাশক্তি মনে হয় বুদ্ধি। আঙ্গিকে, বিষয়ে সর্বত্রই বুদ্ধির প্রাচুর্যজালে পাঠককে ধরতে চান লেখক। বিশেষত, ফেসবুকীয় জীবনজটিলতায় মানুষ কবিতা চায় না। চায় চটুলতায় ভারাক্রান্ত শ্লোক-শায়ের টাইপ পঙক্তিবিশেষ। পাঠকের আঙুলটা নিরন্তর
পুরোটা পড়ুনতরুণদের গেইম আসক্তি: এই দিন দিন নয়, আরো দিন আছে
এক জটিল ও ভয়াবহ সময় পার করছি আমরা। করোনা শুধু আমাদের অর্থনীতির মাজাই ভেঙে দেয়নি, বিনষ্ট করেছে আমাদের মূল্যবোধ, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। এই করোনাকালে আমাদের সন্তানদের কাছেই রাখলাম আমরা। কিন্তু তাদেরকে নিক্ষেপ করলাম একটি অযাচিত বেদনাময় ভবিষ্যতের দিকে, জীবনবিধ্বংসী এক প্রযুক্তির মধ্যে। অনলাইন ক্লাসের নামে যে বিষয়টি অভিভাবকদের
পুরোটা পড়ুনতিনি জন্মেছিলেন আজ থেকে শতবছর আগে। এদেশে তখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেনি। তাঁর জন্মের বছরখানেক পরে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নামে। আমাদের হৃদয়ের অন্ধকার দূর করতে প্রতিষ্ঠিত হয় যে বাতিঘরটি, সেটি তৈরির আগেই পৃথিবীতে, এই বাংলায় এসেছিলেন তিনি মুক্তপথের আলো জ্বেলে। তিনি ছিলেন আমাদের প্রমিথিউস। নিজে জ্বলে
পুরোটা পড়ুনবিশ্বে শিক্ষকদিবস আছে, বাংলায় নেই। বাঙালি শিক্ষক চায় না। ফলে এতদ্বিষয়ক দিবস নিয়েও তাদের মাথাব্যথা নেই। আমজনতার কাছে শিক্ষকতা কোনো পেশা না। যারা চাকরি পায় না তারাই এদেশে মাস্টারি করে জীবনের গুরুভার বহন করে। গ্রামবাংলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আর থানার দারোগা একসাথে চা খেতে বসলে দারোগার চা আগে আসবে। দারোগার কাপ
পুরোটা পড়ুন- সাপমরার গন্ধ আহে কোনহান থে?পুবের বন্দে ট্রাক্টরের শব্দে মাথা ঝিম ধরে যায়। পোড়া মবিলের গন্ধে নেশার মতো লাগে। মাথার ওপরে আমগাছের ছায়া। পেয়ারা গাছের একটা ডাল মিশে গেছে আমের ডালের সাথে। আষাঢ়ের ঝকঝকে রোদের দিকে তাকালে চোখে ধাঁধা লাগে। তবু চোখ তুলে পিটপিট করে একবার দেখে নিতে বেশ লাগে।
পুরোটা পড়ুন'বলেন কি? আটটা?''আর বলবেন না, এই প্রথম!''এখন এতো রিস্ক নেওয়া ঠিক হয়নি! হাজার হলেও...''শশা পারবেন কয়টা?কলা কিংবা পরোটা?বেল, ডাব কচিটা?লাউ, কদু, চিচিঙ্গা?মলা, ঢেলা, কচুটা?''আপনি কী যে বলেন না!সময় এখন ভালো নাএগুলো আর বলবেন নাশশা কলায় অরুচিআছে কি বেগুনি?''টক মিষ্টি ঝাল ঝোলকোনটা পেলে গালে টোল?তেঁতুল, চমচম, ফুসকাগরু, মুরগি নাকি পাঠা?'খবরের আকাল
পুরোটা পড়ুনভোরে চোখ মেলেই সোনাফর দেওয়ানের মেজাজ বিগড়ে গেলো। কয়দিন যাবৎ ঘুম থেকে উঠেই উৎকট গন্ধে বমি আসে তার। মুখে যেন ইঁদুর মরে আছে। অনেক ডাক্তার দেখালেন কাজ হলো না। ভিতরে পঁচন ধরেছে কী না কে জানে? অনেক সভা সেমিনারে তাকে কথা বলতে হয়। মুখের দুর্গন্ধের কারণে মন খুলে কথা বলতে
পুরোটা পড়ুন- বাজান,পাঁচটা টেকা দেও- কানের কাছে ভেজর ভেজর করবি না- দেও- বজ্জাতপোলা দূর হ কইলাম। টেকা কি গাছে ধরে?- একটা চিল ঘুড্ডি কিনমু, দেও বাজান!- আসমানে বহুত চিল উড়ে। হা কইরা থাক । ঘুড্ডি মুহো পড়ব- ' হা কইরা থাক ঘুড্ডি মুহো পড়ব ' অবিকল বাপের মতো বলতে বলতে চলে
পুরোটা পড়ুনআজরফ আলী হাঁটতে থাকে। গা ছমছম করা নিশুতি রাতে ঝিঁ ঝিঁ পোকার সম্মিলিত ডাককে মনে হয় সহস্র হাতির গর্জন। টর্চের আলোও কেমন ঝিমিয়ে পড়ছে। ব্যাটারি শেষ কি না কে জানে? আরো অনেকটা পথ তাকে যেতে হবে। সামনেই নদী। নদীতে এখন পানি কম। বর্ষাকালে নৌকা ছাড়া উপায় থাকে না। নদীও তখন
পুরোটা পড়ুন