নিন্দুকেরে বাসি ভালো, হিংসুকেরে নয়,হিংসুকেরে ঘৃণা নয়, করি তাদের ভয়।হিংসুকের দীর্ঘশ্বাস হিংসেতে তৈরি,কথায় কথায় হবে পরস্পরের বৈরী।হিংসার তীব্র অনলে জ্বলে কত জন,ভেতর পুড়ে আঙ্গার কত সরল মন।নিন্দুকের কথায় যদি দেয় মনোযোগ,পশু থেকে মানুষ হবে কত খারাপ লোক।হিংসুক না নিন্দুক, ধরতে যদি পারো,জীবন গড়া সোজা হবে নিন্দুকেরে ধরো।নিন্দুকেরা ভুল পথ শুধরে
পুরোটা পড়ুনকৌশল কর্মকার এর ব্লগ
আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম
আমি মোট পোস্ট করেছি: 14 টি
লিখছি February 2025 থেকে
বিষয় অনুযায়ী দেখুন
কবিতা (14)মধুসখা, তুমি এমন কেন?আস হর্ষ দিবসে,ডাক মিষ্টি স্বরেগমন করো বিকাশের সমাপ্তিতে।কি দেও তুমিমানবের কল্যাণে?শুধুই সুর, নাকি আরও কিছুকেন এতো নাম তোমার জনে জনে?পরভৃৎ কি এতোই খারাপ?নেহাৎ সে কালো, কিন্তু সেই তো ভাল,যুগে যুগে সে করিছে কল্যাণমানব ভুলিয়াছে কি তার অবদান?সুসময়ে অনেক বন্ধু জোটেঅসময়ে পাশে থাকে কয়জন?তাই কোকিল নয়কাক আমার আপন
পুরোটা পড়ুনকালো মেঘে ছেয়ে গেলেআসে বাতাস বৃষ্টিহৃদয় মাঝে মেঘ করিলেনিরব কান্নার সৃষ্টি।হঠাৎ বিজলির ঝলকানিতেবজ্রপাতের শব্দমনের মাঝে আঘাত পেলেদাগ থেকে যায় অব্দ।মেঘের কান্নায় বর্ষা হাসেকোলা ব্যঙ্গের ফুর্তিশত্রুর দুঃখে শত্রু খুশিভুক্তভোগী মুর্তি।বর্ষাকালে বন্যা হলেনদীর ভরাডুবিকূলকিনারা ভেঙ্গে গিয়েভাসিয়ে নেয় সবি।এই ঘটনায় মেঘ হারায় তারজলে ভরা কলসিনদীর বুকে ভেসে চলেনদীর দুকূল ভাসি।
পুরোটা পড়ুনহঠাৎ করে পড়লাম ঝড়েধূলোয় মাখল গা,দৌড়ের উপর হোটচ খেয়েমচকে গেলো পা।নাকমুখ থুবড়ে ধপাস করেপড়লাম বা পাশে,আমায় দেখে হারুর বেটিহি হি হি হাসে।লুঙ্গিখানা ছিঁড়ে গেছেউু শব্দ মুখে,দোহাই লাগে হারুর বেটিবলিস না কাউকে।ব্যাথার চেয়ে পেলাম শরমমুখ দেখানো ভারগোটাপাড়া খবর পেলছাড় দিল না আর।একে একে সবাই মিলেদিল উপদেশহাঁটবি রাস্তা দেখে শুনেনইলে হবি শেষ।
পুরোটা পড়ুনচতুর্দিকে চাও, লোচনে পড়িবে কারবার-কিছু লাগিবে অভদ্র কিছু চমৎকার।মনুজ আজ্ঞাবহ জঠরজ্বালা অবসানে,যাহা পায় তাহা করে, পায় না চয়নে।প্রথমত উদরপূর্তি দ্বিতীয়ত মন মাস্তিদৃষ্টিপাতে অহর্নিশ কথিত জনের নিয়তি।যথার্থে হইত যদি; যাহা বাসনা তাহা বৃত্তিনন্দনকানন হইত আমাদের বসতি।কার্যে তথাস্তু, সময়ান্তরে কর্ম হইবে ক্রীড়া।সখ্যতা হইবে জনে জনে, সুখে ভরিবে হিয়া।
পুরোটা পড়ুনঋতুর রঙ্গশালায় শরৎ গ্রীষ্মের তলপিএমনি তার বাহারহালকা কুয়াশায় বিন্দু বিন্দু জমা শিশিরশারদ প্রভাতের প্রথম সলজ্জ উপহার।আকাশে গাঢ় নীলিমার অবারিত বিস্তারনির্ঝরণীর পাড়ে কাশফুলের সমাহারক্ষান্ত বর্ষণ সুনীল আকাশের জলহারা লঘুভার মেঘপুঞ্জশরতের তুলনা নাই নয়নাভিরাম সৌন্দয্য।স্নিগ্ধতা আর কোমলতার অপূর্ব রূপ শরতের রাতমাটির শ্যামলিমায় জোস্না শোভিত রাত্রির চাঁদ।শরতের শিশির ধোওয়া কুন্তলপ্রভাতের হৃদয় হয় চপল।
পুরোটা পড়ুনরাখাল যখন ক্ষেত পেরিয়ে গরু নিয়ে যায়গরুর মুখে ঠশি বাঁধা ফসল নাহি খায়।ষাড় গরুর শক্তি অধিক টানতে পারে রথমানুষ তাকে বশে আনে নাকে লাগায় নত।সিংহ হলো হিংস্র প্রাণি মেরে মাংস খায়খাঁচার ভিতর বন্দী করে সেলফি তুলতে যায়।সর্প হলো বিষের পোকা কামড়ে দিলে শেষমানুষরূপী সাপুড়ে যারা খেলা দেখায় বেশ।হাতি হলো মস্ত
পুরোটা পড়ুনবাপ হয়েছি এখন আমিবুঝি বাবার মূল্য-বাবার সাথে হয়না কারোএজগতে তুল্য।আমার ছেলে আমায় যখনডাকে বাবা বলে-দৌড়ে এসে আদর করেনিই যে কোলে তুলে।আমি একদিন এমন ছিলামনিতো কতই যত্ন-আমায় নিয়ে বাবা আমারদেখত সুখের স্বপ্ন।যেথায় থাক ভালো থাকএই কামনা করি-তোমায় আমি স্মরণ করবসারাজীবন ভরি।
পুরোটা পড়ুনঘোলা মেঘের খেল জমেছে,আঁধার করে আসে,তোমার কথা ভাবি বসেজানালার এ পাশে।বৃষ্টি পড়ছে ঝমঝমিয়েবাতাস বইছে শনশনিয়ে,স্মৃতি হয়ে ফিরে আসেবর্ষা-বাদল মাসে।তোমার কথা ভাবি বসেজানালার এ পাশে।সেই যে গেলে আর এলেনাকরে আমায় হেলা,তোমার কথা ভেবে ভেবেকাটে বাদল-বেলা।বুঝি নাতো ছলাকলাতোমার জন্য দুয়ার খোলা,মনের কথা দিলাম ছেড়েঅশান্ত বাতাসে।তোমার কথা ভাবি বসেজানালার এ পাশে।
পুরোটা পড়ুনহাসি হলো শিল্প কলাকত রকম বাহার,হাসি দিয়ে আপন করেআকাশ পাতাল পাহাড়।কেউবা হাসে শব্দ ছাড়ায়কেউবা হাসে শব্দে,কেউবা হাসে মনের ছন্দেকেউবা হাসে কষ্টে।কিছু হাসি চুরি করেঅন্য জনের সাফ মন,কিছু হাসি আঘাত করেকাঁদে আপন জন।কিছু হাসি আড়াল করেমনের যত দুখ,কিছু হাসি ছড়ায় খুশিদুখীর মনে সুখ।কিছু হাসি সৌন্দর্য বাড়ায়গালে পড়ে টোলকিছু হাসির শব্দ কানেবাজায়
পুরোটা পড়ুন