ধরণী আজ উত্তপ্তসর্বলোকে সর্বক্ষেত্রেকি নিদারুণ অস্থিরতাকেবলি ছুটে চলা।মনুষ্যত্ব আর মানবিকতাসেইসাথে বিবেকবোধআজ কুন্ঠিত, ভূলুন্ঠিত।হে ইশ্বর সিক্ত করো ধরণীপ্রশান্ত করো মন,চাতকের মতো অপেক্ষায় থাকাএক ফোঁটা শান্তির আশায়।কবে নেমে আসবে স্বস্তি এ ধরায়প্রতীক্ষায় আছি।সেই দিন হবে শান্তউত্তপ্ত এ ধরণী।
পুরোটা পড়ুনকবিতা
অনুভবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,ইহা প্রেম ঘটিত ঘটমান কিছু অনুনয় মাত্র,নীলাদ্রি রূপম একগুঁয়ে প্রীতাত্মা শ্রূয়মাণ দৃশ্য।আমি সত্যিই বলছি, ইহা প্রেম ঘটিত।অযাচিত কল্প চরিত্রের এক ভাস্কর্য সরূপ,যা একান্ত'ই অবিন্যস্ত অশোভনীতা-আর পূর্ণ ঘটিত ঋজু জটিলতা মাত্র।আমি জানি, ইহা প্রেম ঘটিত।নারীর অবহেলিত উর্বরতায়-প্রেম ঘটাবার ইচ্ছে শক্তি নেই আমার,তব ক্ষিপ্ত মনোনয়ে চিত্তাকর্ষক রূপী এক অজ্ঞাত
পুরোটা পড়ুনপরিস্থিতির পূর্ণ প্রচারছিলাম বাবা মোরা,অভাব ছিল হাতের মুঠোয়খালি ছিল খোরা।আজকে বাবা তোমার জন্যপূর্ণ কতো আশা,কৃতজ্ঞতায় মরণ হলেওফুরাবে না ভাষা।মোদের সুখের জন্য তুমিবিদেশ দিলে পাড়ি,কেমন করে থাকি বলোতোমায় একা ছাড়ি।বাবা তুমি রইলে দূরেআমাদেরকে ছেড়ে,একটি নজর দেখার আশায়দুঃখ যাচ্ছে বেড়ে।বাবা তুমি যেথায় থাকোভালো থেকো তবে,ইনশাআল্লাহ দিন ফুরিয়েএকদিন দেখা হবে।কচাকাটা, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম।
পুরোটা পড়ুনবাবা তুমি আছো বলেচিন্তা আমার নাই,তুমি আছো বলে আমিচিরশান্তি পাই।বাবা তুমি জীবন জুড়েছিলে আমার বল,বাবা তুমি আছো বলেআমার শতো ছল।খাবো না আজ, ডাল আর ভাতমাংস শুধু চাই,তা না হলে ভাত খাবো নাশুনে রেখো তাই।এসব কথা বলার মতোসুযোগ এখন নাই,দুখের মাঝে সুখী সেজেহেসে আমি যাই।বাবা তুমি আদর্শ মোরজীবন গড়ার ভিত,গড়বো জীবন
পুরোটা পড়ুনরক্ত দিতে দ্বিধা নহেকরবো মোরা দান,মোদের রক্তে বেঁচে থাকুকঅন্য কারো প্রাণ।রক্ত দিলে তৃপ্তি মেলেবাড়ে মনের বল,রক্ত দিতে লোক সমাজেথাকে না আর ছল।তোমার রক্তে বাঁচে যদিঅচেনা এক জান,মনে রেখো সেজন তোমারবাড়িয়ে দিবে মান।চার মাস ক্রমে আমরা যদিরক্ত করি দান,থাকবে না ভয় স্বাস্থ্য নিয়েবাঁচবে শতো প্রাণ।আপন চিত্ত সুস্থ রেখেচলো এগিয়ে যাই,চলো সবাই
পুরোটা পড়ুনএই যে রোজ হাজারটা মানুষ মারা যাচ্ছে,রোজ অনবরত এত এত মৃত্যুর খবর শুনছি,কই? আমার তো এখন আর ভয় হয়না!!এই যে রোজ নিয়ম করে আক্রান্ত, মৃত্যুর সংখ্যা দেখার অপেক্ষায়,ঠিক দুপুর আড়াইটের সময় খবরে চোখ আটকে রাখি,কই? আমার তো এখন আর অস্বস্তি হয়না!!এই যে মাটিতে আগে শ্রান্তির বৃষ্টি নামাত আকাশটা,সে মাটির আজ
পুরোটা পড়ুনশৈশবকাল কত মজারথাকি সবার আদরেকত কত মজার খাবারখেয়ে নেই আমি পেট ভরে।কাজ নেই কোন সারাদিনেগান গাই আর ফুল কুড়াইবাবা কত খেলনা আনেসেগুলো দিয়ে খেলে বেড়াই।গাছের বড় ফলটি আমারনতুন নতুন জামা পাইআমি নাকি ময়না সবারআমার কোন চিন্তা নাই।ইদে সালামি দেয় সবাইআমি সবার চোখের মণিপাশের বাড়ির ছেলে কানাইতার কিছু নেই তাই জানি।একটি
পুরোটা পড়ুনপরাজিত শকুনের দুর্গন্ধ ডানায় লুকানো সারমেয় শাবকেরাতোমার ভাস্কর্য ভেঙেছে পিতা; তোমারই বাংলায়।ওরা ভীত, সন্ত্রস্ত; তবুও ওদের ভয়দোজখের অনন্ত প্রজ্বলন্ত লেলিহান শিখায় নয়,অন্তিমশয্যায় প্রাণসংহারক যমদূতকে নয়,নিগূঢ় গাঢ় অন্ধকারাবৃত কবরখানার সওয়ালে নয়,কিংবা ফয়সালা ময়দানে মহামহিম ঈশ্বরের মুখোমুখিলজ্জিত অবনতমস্তকে দাড়ানো অপরাধীর তকমায় নয়;ওদের ভয় তোমাকে। তোমার উদ্ধত অঙ্গুলিকে।যার এক ইশারায় তুমি দীর্ণ-বিদীর্ণ করেছোধর্মের
পুরোটা পড়ুনআমি, ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হতে থাকব;যতক্ষন না আমি, পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম বস্তুতে পরিণত না হই।একদিন প্রত্যুষে, গ্রীষ্মের ঘাসের মাঝে ;আমার হাত প্রশস্ত করে দেব, ক্ষুদ্রতম ফুলটির দিকে—।তার মধ্যে লুকিয়ে নেব আমার মুখ।নীরব-স্বরেঃ তাকে বলব, 'ও ছোট্ট শিশু,জামা ও জুতোহীন,স্বর্গ তার হাত ঝরিয়ে ফেলে—শিশিরের উজ্জ্বল ফোঁটায় ফোঁটায়;যেন এর সুবৃহৎ আকাশ,কোনদিন টুকরো টুকরো
পুরোটা পড়ুনচলে যাওয়ার অভিজ্ঞতাইপিঁপড়েদের জীবনে সবচেয়েজরুরী অভিজ্ঞতা,যেটা সে কখনোই শেখেনাঅন্য পিঁপড়ের কাছে।
পুরোটা পড়ুন