প্রথম পাতা > সুজন হামিদ (Page 11)
corruption

সবকিছু ভেঙে পড়ে

কয়েক বছর আগে, একরাতে এগারোটার মতো বাজে। টিউশনি করে বাসায় যাচ্ছি। রাস্তা বেশ ফাঁকা। আমি যে এলাকায় থাকতাম তখন সে এলাকা এখনকার মতো ঘিঞ্জি ছিল না। সেখানে আগে কারেন্ট চলে গেলে গাছের ফাঁক গলে চাঁদের আলো মাটি ছুঁয়ে যেতো। সে রাতে ব্ল্যাক আউটের পূর্ণিমায়, প্রায় ফাঁকা রাস্তায় কিছুক্ষণ পরপর টুংটাং

পুরোটা পড়ুন
cutpiece

জীবনের “কাটপিস” গল্প

একসময় প্রচুর বাংলা সিনেমা দেখতাম। ২০০০ সালের পর বাংলা সিনেমায় ব্যাপকহারে 'কাটপিস' যুক্ত হলো। আমরা ডোজ বাড়িয়ে দিলাম। 'প্রচুর প্রচুর' সিনেমা দেখা শুরু করলাম। আমার জীবনের ঐ সময়টা সবচেয়ে আনপ্রোডাকটিভ, বিরক্তিকর, লসপ্রোজেক্ট কাল হিসেবে গণ্য। জীবনে অনেক কিছু ফিরে পেতে চেয়েছি, এখনো চাই। কিন্তু 'প্রচুর প্রচুর' সিনেমা দেখার দিনগুলি কখনো

পুরোটা পড়ুন
Kazi Nazrul Islam and Rabindranath Tagore

নজরুলের জন্মদিনে রবীন্দ্র প্রসঙ্গ

এক চরম সাম্প্রদায়িক পরিমণ্ডলে আমাদের ছেলেবেলা কেটেছে। আমার গোষ্ঠীতে যেহেতু আমিই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের গোসলখানায় স্নান করে স্নাতক, আর বাকিরা সবাই নদী কিংবা বড় পুকুরে স্নান করলেও স্নাতক হতে পারেনি সেহেতু নজরুল, রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে পরিবার থেকে কিছু জানার সুযোগ আমার হয়নি। তাঁরা এতদবিষয়ে সত্য-মিথ্যা কোনো গল্পও বলতে পারেননি। গল্পগুলো আমি

পুরোটা পড়ুন
sand clock as patience

ধৈর্যের গল্প

পৃথিবী নামক গ্রহে বাংলাদেশ নামের একটি ভূ-খণ্ড আছে। এই দ্যাশের মানুষের সব আছে। শুধু একটি বিষয় ছাড়া। জিনিসটার নাম 'ধৈর্য'। এরা ধৈর্য ধরতে জানে না। পৃথিবীর বহু দেশ যুগ যুগ ধরে যুদ্ধ করেও যেখানে মুক্তির স্বাদ পায় নাই, সেখানে বাঙালিরা মাত্র নয়মাসে একটি দেশের স্বাধীনতা আনে। রবার্ট ব্রুসের মতো ধৈর্য

পুরোটা পড়ুন
চঞ্চল চৌধুরী

চঞ্চল ভাই, আমরা লজ্জিত!

চঞ্চল চৌধুরী। বাংলাদেশের একজন গুণী অভিনেতা। নাটকের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলাম বলে তাঁর সাথে প্রথম দেখা মঞ্চে। আরণ্যক নাট্যদলের একজন নাট্যকর্মী তিনি। সম্ভবত ২০০০ সালে প্রথম তাঁকে মঞ্চে দেখি 'সংক্রান্তি' নাটকে। ছোট্ট একটা কারেক্টার প্লে করেছিলেন। কিন্তু সেদিনই তাঁকে আলাদা করে চিনে নিয়েছিলাম। এরপর তাঁর দুর্দান্ত অভিনয়ে সাড়াজাগানো মঞ্চনাটক 'রাঢ়াং',

পুরোটা পড়ুন
jal felche oporup shikari book

গোলাম সবুরের প্রথম কাব্য- জাল ফেলছে অপরূপ শিকারি: নিঃশব্দ জীবনলোকে নিঃসঙ্গ বিহার

প্রথম কাব্যেই কবি শিল্পস্বভাবে সমকালীন সমাজমানস থেকে দূরে থাকার প্রয়াস নিয়েছেন। বাংলা কাব্যে একসময় ক্রিয়াশীল ছিল বোধ, কিন্তু একালে কবিতার মূল চালিকাশক্তি মনে হয় বুদ্ধি। আঙ্গিকে, বিষয়ে সর্বত্রই বুদ্ধির প্রাচুর্যজালে পাঠককে ধরতে চান লেখক। বিশেষত, ফেসবুকীয় জীবনজটিলতায় মানুষ কবিতা চায় না। চায় চটুলতায় ভারাক্রান্ত শ্লোক-শায়ের টাইপ পঙক্তিবিশেষ। পাঠকের আঙুলটা নিরন্তর

পুরোটা পড়ুন
Android game addiction

তরুণদের গেইম আসক্তি: এই দিন দিন নয়, আরো দিন আছে

এক জটিল ও ভয়াবহ সময় পার করছি আমরা। করোনা শুধু আমাদের অর্থনীতির মাজাই ভেঙে দেয়নি, বিনষ্ট করেছে আমাদের মূল্যবোধ, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। এই করোনাকালে আমাদের সন্তানদের কাছেই রাখলাম আমরা। কিন্তু তাদেরকে নিক্ষেপ করলাম একটি অযাচিত বেদনাময় ভবিষ্যতের দিকে, জীবনবিধ্বংসী এক প্রযুক্তির মধ্যে। অনলাইন ক্লাসের নামে যে বিষয়টি অভিভাবকদের

পুরোটা পড়ুন
Sheikh Mujibur Rahman

আজি হতে শতবর্ষ আগে

তিনি জন্মেছিলেন আজ থেকে শতবছর আগে। এদেশে তখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেনি। তাঁর জন্মের বছরখানেক পরে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নামে। আমাদের হৃদয়ের অন্ধকার দূর করতে প্রতিষ্ঠিত হয় যে বাতিঘরটি, সেটি তৈরির আগেই পৃথিবীতে, এই বাংলায় এসেছিলেন তিনি মুক্তপথের আলো জ্বেলে। তিনি ছিলেন আমাদের প্রমিথিউস। নিজে জ্বলে

পুরোটা পড়ুন

শিক্ষক দিবসের কড়চা

বিশ্বে শিক্ষকদিবস আছে, বাংলায় নেই। বাঙালি শিক্ষক চায় না। ফলে এতদ্বিষয়ক দিবস নিয়েও তাদের মাথাব্যথা নেই। আমজনতার কাছে শিক্ষকতা কোনো পেশা না। যারা চাকরি পায় না তারাই এদেশে মাস্টারি করে জীবনের গুরুভার বহন করে। গ্রামবাংলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আর থানার দারোগা একসাথে চা খেতে বসলে দারোগার চা আগে আসবে। দারোগার কাপ

পুরোটা পড়ুন
waiting

অপেক্ষা

- সাপমরার গন্ধ আহে কোনহান থে?পুবের বন্দে ট্রাক্টরের শব্দে মাথা ঝিম ধরে যায়। পোড়া মবিলের গন্ধে নেশার মতো লাগে। মাথার ওপরে আমগাছের ছায়া। পেয়ারা গাছের একটা ডাল মিশে গেছে আমের ডালের সাথে। আষাঢ়ের ঝকঝকে রোদের দিকে তাকালে চোখে ধাঁধা লাগে। তবু চোখ তুলে পিটপিট করে একবার দেখে নিতে বেশ লাগে।

পুরোটা পড়ুন